নয়াদিল্লি: তিনি তিনশো’র নায়ক৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিনশো রানের(২০১৬ সাল) ম্যারাথন ইনিংস খেলেছেন৷ মেগা ইনিংসে তাঁর পরিচিতি বেড়েছে৷ সেহওয়াগের সঙ্গে এক আসনে চলে এসেছেন কর্ণাটকি ব্যাটসম্যান৷ তবে ঐ ওতটুকুই৷

পরিচিতি বাড়লেও মেগা ইনিংস হাঁকানোর দেড় বছর পরও ভারতীয় দলে সুযোগের জন্য দূরবীন চোখে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে করুন নায়ারকে৷ শেষবার ব্যাট হাতে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ২০১৭ মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ধরমশালা টেস্টে৷ ইংল্যান্ড সফরে দলে থেকেও একটিও টেস্টে সুযোগ পাননি৷ এমনকি মুরলী ও শিখরকে শেষ দুই টেস্টে ছেঁটে ফেলার পরও দলে তাঁর জায়গা হয়নি৷ ওভাল টেস্টে দেশ থেকে সদ্য উড়ে আসা হনুমা বিহারীকে বিরাট দলে সুযোগ দিলেও তাঁর শিকে ছেড়েনি৷ এবার ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সুযোগ পেতে পারেন বলে আশা করেছিলেন৷ নির্বাচকরা অবশ্য নতুনদের উপর আস্থা রাখলেন৷

আরও পড়ুন- করুনের ট্রিপলে এক যুগ একা থাকার যন্ত্রণা ভুললেন সেহওয়াগ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজে ডাক পেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল৷ তাঁর নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়ও না৷ শেষ মরশুমটা ঘরোয়া ক্রিকেটে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান৷ সেই সঙ্গে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওভাল টেস্টের প্রথম ইনিংসে অর্ধশতরান করা হনুমাও সুযোগ পেয়েছেন৷

এরপরই করুনের দলে না ফেরা নিয়ে ক্রিকেটমহলে চর্চা তুঙ্গে৷ করুনকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভ্রু কুচকাচ্ছেন অনেকেই৷ বর্তমান নির্বাচক প্যানেলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রাক্তন নির্বাচক সন্দীপ পাতিল বলেছেন, ‘করুনের জন্য খারাপ লাগছে৷ তিনশো রান করেও দেড় বছরে আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের হয়ে খেলার সেভাবে সুযোগই পেল না৷’

আরও পড়ুন-ক্রিকেটের নন্দনকাননে নায়ারের দুরন্ত সেঞ্চুরি

নির্বাচন পদ্ধতির দিকে আঙুল তুলে সন্দীপ আরও বলেন, ‘ক্রিকেটদের ব্যাক আপ করা দরকার৷ একদিকে হার্দিকের মতো প্রতিভাকে নির্বাচকরা ব্যাক আপ করছেন অন্যদিকে করুনের মতো টেস্ট ফর্ম্যাটের দুরন্ত ব্যাটসম্যানকে দিনের পর দিন নির্বাচকরা দলের বাইরে রেখে চলেছেন৷ ক্রিকেটারের মনোবলের উপর এর প্রভাব পড়ে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।