মুম্বই: বিনোদন জগত ছাড়ার দিন কয়েকের মধ্যেই গুজরাতের মুসলিম আলেমকে বিয়ে করেছেন বিগ বস খ্যাত অভিনেত্রী সানা খান। বিয়ের কয়েক মাস আগে জানিয়েছিলেন বিনোদন জগত ছেড়ে এবার ধর্মে মনোযোগ দেবেন। আর তারপরেই গুজরাটের বাসিন্দারা মৌলানা মুফতি আনাস সাঈদকে বিয়ে করলেন তিনি।

বিয়েতে একটি জমকালো লাল রঙের লেহেঙ্গা পরেছিলেন সানা। কিন্তু সেই লেহেঙ্গার দাম শুনে আঁতকে উঠেছেন নেটিজেনরা। জানা যাচ্ছে সেই সোনালী সুতো দিয়ে কাজ করা লাল রঙের লেহেঙ্গার দাম প্রায় ১ লক্ষ টাকা। আর এই দাম জানার পরেই নানা রকমের প্রশ্ন উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড হতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে।

বিনোদন জগত ছাড়ার কথা ঘোষণা করার সময় সানা বলেছিলেন তিনি গ্ল্যামার জগত সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করছেন। কিন্তু এই কথা বলার পরেও কিভাবে তিনি এত দামি লেহেঙ্গা পরে বিয়ে করছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাহলে কি রুপোলি দুনিয়ার গ্ল্যামারের মোহ ত্যাগ করতে পারেননি অভিনেত্রী? প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা। অনেকেই বলছেন, এই অর্থ জনসেবার কাজেও ব্যবহার করতে পারতেন কারণ তিনি এখন ধর্মের পথ অনুসরণ করছেন বলে জানিয়েছিলেন।

বিয়ে উপলক্ষে একের পর এক দামী পোশাকের ছবিও পোস্ট করছেন সানা। আর তাই নেটিজেনদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের পরে নাম বদলে ফেলার জন্যও ট্রোলড হতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নাম বদলে লিখলেন সাঈদ সানা খান।

অক্টোবর মাসেই সানা ঘোষণা করেছিলেন, অভিনয় ও গ্ল্যামার জগত ছেড়ে তিনি এবার ধর্মের কাজে পুরোপুরি নিজেকে উৎসর্গ করবেন। আর তার দিন কয়েকের মধ্যেই বিয়ে করলেন অভিনেত্রী। বিয়ের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখলেন, “আল্লাহর জন্যই পরস্পরকে ভালোবেসেছি। আল্লাহর জন্যই পরস্পরকে বিয়ে করেছি। প্রার্থনা করি যাতে এই দুনিয়ায় আল্লাহ আমাদের একসঙ্গে রাখেন। জন্নতেও যেন আমাদের একসঙ্গে রাখেন এই কামনা করি।”

অক্টোবরে সানা পোস্ট করেছিলেন, “এই পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে মৃত্যু পরবর্তী জীবনের উন্নতির জন্য কাজ করা দরকার। সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ মতো যদি একজন ভৃত্য তাঁর জীবন যাপন করেন তাহলেই ভালো। সবসময়ে অর্থ ও খ্যাতির পিছনে ছুটলেই সেটা হয় না। বরং পাপের রাস্তা ছেড়ে সৃষ্টিকর্তার দেখানো পথেই হাঁটা উচিত।”

তিনি আরও লিখেছিলেন, “তাই আজ ঘোষণা করছি যে, আজ থেকে বিনোদন জগত থেকে চিরকালের মতো বিদায় নিলাম। আজ থেকে মানবিকতার জন্য কাজ করব এবং সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ মেনে চলব। প্রত্যেক ভাইবোনকে আল্লাহর কাছে আমার জন্য প্রার্থনা করতে বলছি যাতে আমায় এই কাজে তিনি অনুমতি দেন এবং গ্রহণ করেন। আমার সমস্ত ভাইবোনদের অনুরোধ করব, তাঁরা যেন আমার সঙ্গে বিনোদন জগত নিয়ে আরও কোনও আলোচনা না করেন। ধন্যবাদ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।