মুম্বই: বিয়ের মাস কয়েক আগে অভিনয় জগৎ থেকে বিদায় জানিয়েছেন অভিনেত্রী তথা বিগ বস খ্যাত সানা খান। আর এবার বিয়ের পর নিজের নাম বদলে ফেললেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি গুজরাটের এক মুসলিম আলেম কে বিয়ে করেছেন সানা। বিয়ের বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তিনি। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নাম বদলে লিখলেন সাঈদ সানা খান।

গুজরাটের আলেম মৌলানা মুফতি আনাস সাইদকে বিয়ে করেছেন সানা। অক্টোবর মাসেই সানা ঘোষণা করেছিলেন, অভিনয় ও গ্ল্যামার জগত ছেড়ে তিনি এবার ধর্মের কাজে পুরোপুরি নিজেকে উৎসর্গ করবেন। আর তার দিন কয়েকের মধ্যেই বিয়ে করলেন অভিনেত্রী।

বিয়ের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখলেন, “আল্লাহর জন্যই পরস্পরকে ভালোবেসেছি। আল্লাহর জন্যই পরস্পরকে বিয়ে করেছি। প্রার্থনা করি যাতে এই দুনিয়ায় আল্লাহ আমাদের একসঙ্গে রাখেন। জন্নতেও যেন আমাদের একসঙ্গে রাখেন এই কামনা করি।”

এই পোস্ট করার পরেই সানার অনুরাগীরা তাদের নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার অন্যদিকে অভিনেত্রীকে ট্রল করতে ছাড়েননি কয়েকজন নেটিজেন। অক্টোবরে সানা পোস্ট করেছিলেন, “এই পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে মৃত্যু পরবর্তী জীবনের উন্নতির জন্য কাজ করা দরকার। সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ মতো যদি একজন ভৃত্য তাঁর জীবন যাপন করেন তাহলেই ভালো। সবসময়ে অর্থ ও খ্যাতির পিছনে ছুটলেই সেটা হয় না। বরং পাপের রাস্তা ছেড়ে সৃষ্টিকর্তার দেখানো পথেই হাঁটা উচিত।”

তিনি আরো লিখেছিলেন, “তাই আজ ঘোষণা করছি যে, আজ থেকে বিনোদন জগত থেকে চিরকালের মতো বিদায় নিলাম। আজ থেকে মানবিকতার জন্য কাজ করব এবং সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ মেনে চলব। প্রত্যেক ভাইবোনকে আল্লাহর কাছে আমার জন্য প্রার্থনা করতে বলছি যাতে আমায় এই কাজে তিনি অনুমতি দেন এবং গ্রহণ করেন। আমার সমস্ত ভাইবোনদের অনুরোধ করব, তাঁরা যেন আমার সঙ্গে বিনোদন জগত নিয়ে আরও কোনও আলোচনা না করেন। ধন্যবাদ।”

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বিয়ের আসরে সানাকে একটি লাল রংয়ের লেহেঙ্গায় দেখা যাচ্ছে। মৌলানা মুফতি পরেছেন সাদা রঙের স্যুট। শনিবার ভাইরাল হওয়া বিয়ের আসর এর ছবিতে নানাকে দেখা গিয়েছিল সাদা রঙের গাউনে। সঙ্গে ছিল সাদা রঙের হিজাব। নবদম্পতিকে একসঙ্গে কেক কাটতেও দেখা যায় সেদিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।