নয়াদিল্লি : একে বলে হাতে নয়, ভাতে মারা। দক্ষিণ কোরিয়ার স্মার্টফোন জায়েন্ট স্যামসাংয়ের বড়সড় পদক্ষেপ। চিন নয়, এবার তাদের ব্যবসার একটা বড় অংশ ভারতে নিয়ে আসছে স্যামসাং। জানানো হয়েছে সেই ব্যবসায় বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৪৮২৫ কোটি টাকা।

সূত্রের খবর কারখানা সরিয়ে নিতে সব ধরণের ব্যবস্থা নিয়ে ফেলেছে স্যামসাং। উত্তরপ্রদেশে এই কোম্পানির জন্য বিশেষ জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই রাজ্যেই তৈরি হবে স্যামসাংয়ের নতুন কারখানা। এখানে কারখানা তৈরি হলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে সেখানে বলে আশাবাদী স্যামসাং।

উত্তরপ্রদেশ সরকারের মুখপাত্র জানান, বিশ্বের মধ্যে ভারত তৃতীয় স্থানে, যে দেশে স্যামসাং য়ের এত বড় উৎপাদন বিনিয়োগ করা হচ্ছে। মূলত ভারতে বাজার ধরে রাখতেই স্যামসাংয়ের এই পদক্ষেপ বলে সূত্রের খবর। উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার ইতিমধ্যেই জমি অধিগ্রহণ ও বিনিয়োগের ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছে। নয়ডাতে তৈরি হচ্ছে স্যামসাংয়ের বিশেষ ইউনিট।

নয়ডায় ইতিমধ্যেই এই কোম্পানির মোবাইল তৈরির ইউনিট রয়েছে। এবার এখানে ডিসপ্লে তৈরির কারখান তৈরি করা হবে বলে খবর। স্যামসাং তাদের টিভি সেট, মোবাইল, ঘড়ি ও ট্যাবলেটের ডিসপ্লে মূলত তিনটি দেশে তৈরি করত। দক্ষিণ কোরিয়া, চিন ও ভিয়েতনাম।

এবার চিন থেকে সেই কারখানা সরে আসছে ভারতে। ২০২০ সালের শুরুতেই কেন্দ্রের মোদী সরকার ভারতে স্মার্টফোন উৎপাদনে গতি আনতে ৬.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন করেছিল। মোট ১৬টি কোম্পানি এই টাকা পাবে বলে খবর। এর মধ্যে রয়েছে স্যামসাং, অ্যাপল, ফক্সকন, উইস্ট্রন এবং পেগাট্রন।

স্যামসাং চিনের তিয়াংজিন থেকে তাদের টিভি উৎপাদনের কারখানাটি বন্ধ করার ভাবনা চিন্তা‌ চলছে। সম্প্রতি নয় এই পরিকল্পনা ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয়েছে। তবে বিকল্প কোনও জায়গা না পাওয়ায় সেইমতো এগোন সম্ভব হয়নি। তবে এবার পুরোপুরি সেই লক্ষ্যে এগোতে তৎপরতা বেড়ে গিয়েছে ।

বর্তমানে চিনের ওই টিভি কারখানাটিতে ৩০০ জন কাজ করেন। ২০১৮ সালেই তাইজিনের কারখানায় স্মার্টফোন উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল স্যামসাং। ২০১৯ সালে বন্ধ করা হয়েছিল হুইজো কারখানা।

সেই থেকে স্যামসাংয়ের মতো প্রথম সারির ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারতকে স্মার্টফোন এক্সপোর্ট হাট বানানোর কথা ভাবতে শুরু করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।