সিওল : যখন বিভিন্ন কোম্পানি বাণিজ্যিকভাবে 5G বাজারে আনার জন্য পরিকাঠামো তৈরিতে ব্যস্ত তখন স্যামসাং তাদের 6G প্রযুক্তির বিষয়ে পরিকল্পনার কথা ও গবেষণাপত্র প্রকাশ করল। ওই গবেষণাপত্রে স্যামসাং জানিয়েছে, যদি যোগাযোগ ব্যবস্থা ও তার পরিষেবা নিয়ে এমন প্রবণতা থাকে তাহলে এটা যুক্তিসংগত ভাবেই আশা করা যেতে পারে 5 G তে যেসব প্রত্যাশা পূরণ হয়নি সেগুলি 6G প্রযুক্তিতে সেগুলি পাওয়া যাবে।

পাশাপাশি ওই গবেষণাপত্রে‌ থেকে আশা করা হচ্ছে এই 6G সংযোগ সকলকে মানবিক এবং সবকিছু সংক্রান্ত সবধরনের অভিজ্ঞতা সম্ভব হবে। এই গবেষণাপত্র বিস্তারিতভাবে জানাচ্ছে, প্রযুক্তিগত যে বিবর্তন হয়েছে 6G তে। ওয়্যারলেস টেকনোলজি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হচ্ছে যার মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে অন্য অনেক কিছুর যোগাযোগ করিয়ে দিচ্ছে।

এই ওয়ারলেস কমিউনিকেশন এখন সামাজিক পরিকাঠামো ক্ষেত্রের পাশাপাশি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সমন্বয় ঘটাচ্ছে। তাছাড়া আরও উন্নত প্রযুক্তি যেভাবে এক্সপোনেনশিয়ালি বাড়ছে যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, অটোমেশন এবং রোবটিক্স, এর মাধ্যমে ওয়্যারলেস প্রযুক্তির অংশটা আরও বেশি করে পরিবর্তন ঘটিয়ে দিচ্ছে।

এক্ষেত্রে চারটি মেগাট্রেন্ডের তালিকা করা হয়েছে যা 6G দিকে ধাবিত করবে- সংযোগকারী মেশিন, ওয়ারলেস কমিউনিকেশন এর ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, খোলাখুলি মোবাইলের যোগাযোগ এবং সামাজিক লক্ষ্য পূরণে এদের অবদান বৃদ্ধি। ওই গবেষণাপত্রে আলোচনা রয়েছে, মোবাইল ব্রডব্যান্ডের বৃদ্ধি, আল্ট্রা রিলায়েবল ও ল্যাটেন্সি কমিউনিকেশন এবং মেশিনের মত প্রচুর যোগাযোগ ব্যবস্থা করা।

এই ভাবেই আরও উন্নত প্রযুক্তি এগিয়ে যাবে6G দিকে। এই নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগে নতুন নতুন পরিষেবা একাকার হয়ে যাবে। স্যামসাং আশা করছে 6G মারফত যেসব নতুন পরিষেবা আসবে সেগুলি হল,- ডিজিটাল রেপ্লিকা, হাই ফিডিলিটি মোবাইল হলোগ্রাম, ট্রুলি ইমার্সিভ এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি। স্যামসাং রিসার্চ পেপার একটা সময়সীমা দিয়েছে যখন এই6G প্রযুক্তি চলে আসবে।

2G থেকে 5G বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেম আসতে ১০ বছর করে সময় লেগেছিল। প্রযুক্তির ভিশন এবং ডেভলপমেন্টের সময়সীমা কমছে যেখানে 3G-র ক্ষেত্রে ১৫ বছর লেগেছিল সেখানে 5G-র ক্ষেত্রে ৮ আট বছর সময় লাগছে। এটা হচ্ছে কারণ ‌ প্রযুক্তির উন্নতি এবং মোবাইল কমিউনিকেশন এর বাজার সম্প্রসারণের প্রভাবে। ‌

সে ক্ষেত্রে এটা আশা করা হচ্ছে, খুব তাড়াতাড়ি হলে ২০২৮ সালে এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে এসে যেতে পারে। তবে তা ব্যাপক আকারে আসতে ২০৩০ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ