নয়াদিল্লি : মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের পালে নতুন হাওয়া। ভিয়েতনাম ও অন্যান্য দেশ থেকে ভারতে নিজেদের ব্যবসার বড় অংশ স্থানান্তরিত করতে চাইছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা স্যামসাং। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৪০ বিলিয়নেরও বেশি বা ৩ লাখ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা এদেশ থেকে করতে চাইছে দক্ষিণ কোরিয়ার এই মোবাইল কোম্পানি।

জানা গিয়েছে, মোবাইলের নানা যন্ত্রাংশ উৎপাদনের ব্যবসা ভারতে করতে চায় স্যামসাং। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২৫ বিলিয়নের ব্যবসা করানোর পরিকল্পনা রয়েছে এই সংস্থার। উল্লেখ্য ভিয়েতনাম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন রফতানিকারক দেশ। তালিকায় প্রথমে রয়েছে চিন।

স্যামসাংয়ের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত বলে খবর। ভারতে উৎপাদিত ফোনগুলির দাম মূলত ২০০ ডলারের কাছাকাছি হবে বলে জানানো হয়েছে। আসিয়ান ভুক্ত দেশগুলির বাজার ধরাই লক্ষ্য হবে এই উৎপাদনের। গোটা বিশ্ব জুড়ে ২৭০ বিলিয়নের স্মার্টফোন ব্যবসার মধ্যে ৩৮ শতাংশ মার্কেট শেয়ার অ্যাপল সংস্থার। স্যামসাংয়ের ২২ শতাংশ।

ভারতের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ পয়লা অগাষ্ট জানিয়েছিলেন ২২টি কোম্পানি দেশে ব্যবসা করতে ইচ্ছুক। এরমধ্যে স্যামসাং, ফক্সকন, উইশট্রন, পেগাট্রনের মত কোম্পানিও ছিল। উল্লেখ্য, ভারতে ২০১৯ সালে মোবাইল ফোনের বাজার ছিল ২ লক্ষ কোটির। ফলে এই বাজারকে ধরাই এখন লক্ষ্য স্যামসাংয়ের।

এদেশের স্মার্টফোনের হাব করার জন্য গত এপ্রিলে ৫০,০০০ কোটি টাকার উৎসাহ প্রকল্প আনে কেন্দ্র। এতে সাড়া দিয়ে আইফোন উৎপাদনকারী ফক্সকন উইস্ট্রন এবং পেগাট্রন এদেশে কারখানা করার আগ্রহ দেখিয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে লাভা মাইক্রোম্যাক্সের মতো এদেশিয় সংস্থাগুলিও। কেন্দ্রের দাবি, প্রকল্পগুলি পুরোদমে চালু হলে প্রত্যক্ষ তিন লক্ষ এবং পরোক্ষ নয় লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। এছাড়া যন্ত্রাংশ শিল্পেও প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা লগ্নি প্রস্তাব এসেছে।

প্রসঙ্গত কিছুদিন আগে চিন-ভারত সীমান্তে যেভাবে উত্তেজনা দেখা দেয় তার ফলে ভারত চিনের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সীমান্ত সংঘর্ষে সেনারা শহিদ হওয়ায় দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের আওয়াজ উঠতে দেখা যায়। কিন্তু আবার ভারতের স্মার্টফোনের বাজারে সিংহভাগ দখল করে রয়েছে চিনা মোবাইল। ফলে নিজেরা স্বাবলম্বী না হয়ে চিনা পণ্য বয়কট করার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়। ফলে নজর দেওয়া হয় এদেশের এইসব পণ্য তৈরি করে চিনের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর দিকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।