নয়াদিল্লি:  স্বাস্থ্য সচেতন লোকজনের ডায়েট লিস্টে দই থাকাটা আবশ্যক। কিন্তু প্রত্যেকদিন বাড়িতে দই তৈরি করার ঝক্কি কম নয়, তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক সময় দই খাওয়া হয়ে ওঠে না। আর সেই জন্যই এবার বাজারে এলো এক নতুন রেফ্রিজারেটর, যাতে আপনার থেকেই তৈরি হয়ে যাবে দই তৈরি করার কোন ঝামেলায় নেই।

বিশ্বে প্রথমবার এরকম একটি ফ্রিজ তৈরি হয়েছে। স্যামসাং বাজারে এনেছে সেই ফ্রিজ। ইতিমধ্যেই দই তৈরি করার প্রক্রিয়াটি পরীক্ষা করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট। তারপরই বাজারে আনা হয়েছে এই নতুন প্রোডাক্ট।

২০২০ নতুন মডেলের ফ্রিজ বাজারে এনেছে স্যামসাং। তার মধ্যে এটি একটি। এবছর যেসব নতুন ফ্রিজ বাজারে এসেছে তার দামের রেঞ্জ ১৭,৯৯০ থেকে ৪৫,৯৯০ পর্যন্ত। রয়েছে সিঙ্গেল ডোর ফ্রিজ থেকে শুরু করে ফাইভ ইন ওয়ান রেফ্রিজারেটর ।আর এই দই তৈরি করার বিশেষ মডেলটির দাম হবে ৩০ হাজার ৯৯০ থেকে ৪৫ হাজার ৯৯০ পর্যন্ত।

সংস্থার কর্ণধার রাজু পোলা বলেছেন স্যামসাং সব সময় এমন কিছু তৈরি করার চেষ্টা করে যা মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে কোন না কোন কাজে লাগবে। তিনি জানিয়েছেন ২০২০ যেসব ফ্রিজ বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে সেগুলির সবকটিতেই যথেষ্ট পরিমাণে জায়গা এবং এনার্জি এফিশিয়েন্সি রয়েছে। আর এইবার এবছর বাজারে যেসব প্রোডাক্ট এসেছে সেগুলো সব কটাই আগামী দিনে ফ্রিজের বাজারে স্যামসাংকে আরও খানিকটা এগিয়ে দেবে বলে আশাবাদী তিনি ।

মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের আওতায় এই নতুন ফ্রিজ তৈরি হয়েছে সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে দই তৈরি করতে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা সময় লাগবে ৫ ঘণ্টায় নরম দই এবং ৬ ঘন্টায় থকথকে দই তৈরি হতে পারে। শুধু দই তৈরি করাই নয়, এই ফ্রিজে দই রাখলে বেশ কিছুদিন ভালো থাকবে।

যেকোনো ধরনের আবহাওয়ায় দই তৈরি হবে একইভাবে। প্রত্যেকবার একই সময় লাগবে দই তৈরি করতে। এই মডেলের ফ্রিজ ২৪৪ লিটার, ২৬৫ লিটার এবং ৩১৪, ৩৩৬ লিটারের মডেল রয়েছে।

এছাড়াও স্যামসাং বাজারে এনেছে স্মার্ট কনভার্টিবল কুলিং রেফ্রিজারেটর। এই রেফ্রিজারেটর এর মোট পাঁচটি মডেল রয়েছে নরমাল, সিজেনাল এবং হোম অ্যালোন। নতুন মডেল গুলির জন্য থাকবে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি এবং ডিজিটাল ইনভার্টার টেকনোলজি।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব