কলকাতা: বাঁকুড়ার সারেঙ্গার পর এবার সল্টলেকের সিসি ব্লক। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পানীয় জলের ট্যাঙ্ক। যদিও ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকা ভেঙে পড়ে পানীয় জলের ওই ট্যাঙ্কটি। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের আবাসনের ওই ট্যাঙ্কটি ভেঙে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

গত ১০-১৫ বছর ধরে কোনও রক্ষণাবেক্ষণ হয় না সিসি ব্লকের ওই পানীয় জলের ট্যাঙ্কের। এমনই অভিযোগ সিসি ব্লকের বাসিন্দাদের। প্রশাসনিক চরম ঔদাসীন্যকেই দায়ী করেছেন এলাকাবাসী। তাঁদের আরও অভিযোগ, পানীয় জলের ওই ট্যাঙ্ক ভেঙে প্রাণহানির আশঙ্কাও ছিল। কিন্তু এযাত্রায় সেই চরম বিপদ থেকে বেঁচে গিয়েছেন তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি বলেই ভেঙে পড়েছে ওই জলের ট্যাঙ্কটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে প্রথম বিকট শব্দ হয় এলাকায়। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে সিসি ব্লকের পানীয় জলের ওই ট্যাঙ্কটি। ধূসর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারিদিক। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের আবাসনের বাসিন্দারা।

৩৩ হাজার লিটার জল ধরত ওই ট্যাঙ্কে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে কোনওরকম রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না ওই জলের ট্যাঙ্কটির। প্রায়ই ট্যাঙ্কের বিভিন্ন অংশের চাঙর খসে পড়ত। কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ।

মাস খানেক আগে বাঁকুড়ার সারেঙ্গাতেও একই ঘটনা ঘটেছিল। তৈরির তিন বছরের মধ্যে জনস্বাস্থ্য কারিগরী দফতরের ট্যাঙ্ক ভেঙে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সারেঙ্গায় জলের ট্যাঙ্ক কলকাতার যে সংস্থা তৈরি করে তারা জঙ্গলমহলে আরও ১৬টি জলের ট্যাঙ্ক তৈরি করেছে।

বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার সেই সময় অভিযোগ তোলেন, জলের ট্যাঙ্ক নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে তৈরি হয়েছিল। তারই জেরে তৈরির মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই সেটি ভেঙে পড়ে। একইসঙ্গে সারেঙ্গায় জলের ট্যাঙ্ক তৈরির কাজে এলাকার তৃণমূল নেতারা কাটমানি নেন বলেও অভিযোগ তোলেন বিজেপি সাংসদ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ