মুম্বই: ফের একবার খবরের শিরোনামে সলমন খান৷আসন্ন রিও অলিম্পিকের ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর এবং গায়ক ও সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমানকে নিযুক্ত করা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি৷ একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন সচিন এবং এ আর রহমানকে ‘শুভেচ্ছা দূত’ করা হয়েছে সে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি৷

নিজের পরিচিত মেজাজে ‘সুলতান’ বলেন,‘সংবাদ মাধ্যমের উচিত ছিল সচিন এবং এ আর রহমানকে ‘শুভেচ্ছা দূত’ করা হয়েছে কেন সে নিয়ে প্রশ্ন করা৷ কিন্তু সেটা করা হল না কেন? মিডিয়া এই বিষয়টিকে প্রচারের আলোয় আনলো না কেন? যেখানে ওই দু’জনের মধ্যে একজন স্পোর্টস পার্সন নয় এবং আরেকজন কেবল একটিমাত্র খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ এ আর রহমানের কোনও রাজ্যের শংসাপত্র বা জাতীয় স্তরে কোনও পদক না থাকলে কি তিনি স্পোর্টসপার্সন নয়? যারা জাতীয় পর্যায়ে কোনও দিন কোনও মেডেল পায়নি কিন্তু খেলাটিতে অংশ নিয়েছেন তাঁরা কি স্পোর্টস পার্সন নয়? যারা স্পোর্টসপার্সনদের ফলো করে তাঁরা কি স্পোর্টসপার্সন নয়? তাহলে কেবল আমার বেলাতেই এত কিছু হল?’

সলমনকে যখন তাঁর কোর্টের ঝামেলা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তখন দাবাংয়ের ‘চুলবুল পাণ্ডে’ বলেন,‘সংবাদমাধ্যমের সমস্যা তাহলে একজন ব্যক্তি যার নামে কোর্টে মামলা চলছে তাঁকে অলিম্পিকে ‘শুভেচ্ছা দূত’ করা নিয়ে? কিন্তু ভারতে অনেক রাজনীতিবিদ রয়েছে যাদের নামে মামলা রয়েছে৷ দেশ বেশি গুরুত্বপূর্ণ না অলিম্পিক? আমার জন্য দেশ আগে৷ যেসব রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা চলছে তাঁরা যদি পদত্যাগ করে তাহলে আমিও পদত্যাগ করতে রাজি নিজের পদ থেকে৷ অনেকেই অনেক দোষ করেও নিজেদের স্থানে বহাল তবিয়তে রয়েছে তাহলে আমি তো কিছুই করিনি৷’

এর আগে সলমনের নাম অলিম্পিকের ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে ঘোষণা হওয়ার পর কম জলঘোলা হয়নি৷ এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে পিটিশনও জারি করা হয়েছিল৷ মিলখা সিংয়ের মতো প্রাক্তনদের পাশাপাশি যোগেশ্বর দত্তের মতো অ্যাথলিটরা ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছিলেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।