মুম্বইঃ বলিউড দাবাং সালমান খানের দুই বোন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এক সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে সালমান জানিয়েছেন তার দুই বোন অর্পিতা এবং অলভিরা কোভিড পজিটিভ। তিনি বলেছেন, করোনায় তার দুই বোন আক্রান্ত হয়েছেন গত মাসের শুরুতে। প্রথমে অর্পিতার করোনা ধরা পরে। বোনের দুই ছোট্ট বাচ্চাও রেহাই পায়নি। সংক্রমিত হয়েছে তারাও। কিছুদিন পরেই অলভিরা কোভিড আক্রান্ত হন। যদিও তারা সকলেই এখন অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

শীগ্রই মুক্তি পেতে চলেছে সালমানের ‘রাধে – ইওর মোস্ট ওয়ান্টেড ভাই’। এই ছবির ভার্চুয়াল প্রচারের একটি সাক্ষাৎকারে ভাইজান মিডিয়ার কাছে জানিয়েছেন, ‘এতদিন কেবল দূরের মানুষদের কোভিড আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনেছি। এখন সেই সংক্রমণ আমার বাড়িতে’। উদ্বিগ্ন হয়ে সালমান বলেছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অনেক বেশি মারাত্মক। তাই সকল সাংবাদিক এবং তার ফ্যানেদের সাবধানে থাকতে এবং পরিবারকে সাবধানে রাখতে অনুরোধ করেছেন।

সালমানের এই সাক্ষাৎকারের পরেই অর্পিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তার ফ্যানেদের জানিয়েছেন তার কোভিড আক্রান্ত হওয়ার খবর। তিনি লিখেছেন, ‘এই বছর এপ্রিলের শুরুতে আমার করোনা ধরা পড়ে। যদিও আমার কোন উপসর্গ ছিল না। কোভিড রিপোর্ট পাওয়ার পর থেকে সমস্ত সতর্কতাবিধি মেনে চলছি। ডাক্তারদের সকল পরামর্শ পালন করছি। ভগবানের আশীর্বাদে এখন আমি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছি’। সোশ্যাল মিডিয়ার এই পোস্টে তার বাচ্চাদের কোভিড আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি। ২০১৪ সালে অর্পিতা আয়ুশ শর্মার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। খান পরিবারেরে জামাই হওয়ার পর সালমানের হাত ধরে আয়ুশ শর্মা বলিউডে সফর শুরু করেছেন।

এই ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে সালমানকে কোভিড ১৯ ভ্যাক্সিনেসনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। উত্তরে তিনি বলেছেন, ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ তার নেওয়া হয়ে গিয়েছে। এখন অপেক্ষায় আছেন দ্বিতীয় ডোজের। তিনি এও জানান, তার বাবা সেলিম খান এবং মা সালমা খান দুজনেই ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ নিয়ে ফেলেছেন। তারা এখন সুরক্ষিত। নিজের অনুগামীদের উদ্দেশে সালমান বার্তা দিয়েছেন, ‘কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়া মানেই তুমি এই ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত, তা একেবারেই নয়। ভ্যাকসিন কেবল তোমার ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করবে। যাতে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম হই আমরা। তাই নিজেরা ভ্যাকসিন গ্রহণ করুণ এবং নিজের প্রিয়জনদের ভ্যাকসিন নিতে বলুন’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.