মুম্বই: শাহরুখের মালিকানাধীন কলকাতা নাইট রাইডার্স ফ্র্যাঞ্চাইজি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগের জন্মলগ্ন থেকে সাড়াজাগানো নাম। বিগত বছরগুলিতে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগেও শাহরুখের নাইট ফ্র্যাঞ্চাইজি জনপ্রিয়তা ফেলেছে দারুণ। এছাড়া বলিউড অভিনেতাদের মধ্যে আইএসএলের বিভিন্ন টিমের ভাগীদার রয়েছেন বলিউডের একাধিক অভিনেতা।

চেন্নাইয়িন এফসি’র মালিক হিসেবে যেমন শেয়ার রয়েছে বচ্চন পরিবারের (অভিষেক বচ্চন)। তেমনই মুম্বই সিটি এফসি’র একটা বড় অংশের মালিকানা রয়েছে অভিনেতা রনবীর কাপুরের। এফসি গোয়ার মালিক হিসেবে একসময় ছিলেন বলিউড হার্টথ্রব ঋত্বিক রোশন। কিন্তু এখনও অবধি ক্রিকেট কিংবা ফুটবল কোনও বিভাগেই কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দল কিনতে দেখা যায়নি সলমন খানকে। এবার শাহরুখের পথে হেঁটে ক্রিকেটে একটি দল কিনতে চলেছে সলমন খান। তবে সলমন খান প্রত্যক্ষভাবে নন, খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলা লঙ্কা প্রিমিয়র লিগের একটি দল কিনল সলমনের পরিবার।

আগামী ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলা লঙ্কা প্রিমিয়র লিগে বিনিয়োগ করলেন সলমনের ভাই অভিনেতা সোহেল খান। লিগে ক্যান্ডি তাস্কার্স দলটি কিনে নিলেন অভিনেতা। অভিষেক মরশুমে সোহেলের দলের হয়ে মাঠে দেখা যাবে ‘ইউনিভার্স বস’ ক্রিস গেইলকে। গেইল ছাড়াও সোহেলের দলে থাকছেন স্থানীয় তারকা ক্রিকেটার কুশল পেরেরা। দ্বীপরাষ্ট্রের দুই টি২০ স্পেশালিষ্ট ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস এবং নুয়ান প্রদীপ। এছাড়া রয়েছেন ইংরেজ তারকা লিয়াম প্লাঙ্কেট।

ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার পর সোহেল বলেন, ‘আমরা এই আকর্ষণীয় উদ্যোগের অংশীদার হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। লঙ্কা প্রিমিয়র লিগের প্রথম বছরে আমাদের দলের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ক্রিকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কার দর্শকদের উন্মাদনার কথা কারও অজানা নয়। আমি নিশ্চিত নিজেদের দলকে সমর্থনের জন্য তারা বড় সংখ্যায় স্টেডিয়ামে জড়ো হবেন।’ আইপিএল শেষ হওয়ার ঠিক পরেই আগামী ২১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে লঙ্কা প্রিমিয়র লিগের উদ্বোধনী ম্যাচ।

সোহেল আরও বলেন, ‘অবশ্যই ইউনিভার্স বস ক্রিস গেইল আমাদের দলের অন্যম চালিকাশক্তি। তবে সে একা নয়। তারুণ্যের সঙ্গে অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণে আমাদের একটা দারুণ দল তৈরি হয়েছে। আমি আমার দলকে ফাইনালে দেখতে চাই।’ পাল্লেকেলে, ক্যান্ডি এবং হাম্বানতোতা স্টেডিয়ামে ১৫ দিন ধরে টুর্নামেন্টের ২৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I