মুম্বই: সলমন খান জড়িত হিট অ্যান্ড রান মামলার নয়া মোড়। সোমবার মুম্বই হাইকোর্টে নিজের দেওয়া আগের সাক্ষ্য প্রায় ১৮০ ডিগ্রি পালটে একেবারে নতুন বয়ান দিলেন সলমন খানের গাড়ির চালক। এদিন তিনি আদালতকক্ষে দাঁড়িয়ে বলেন, “ঘটনার দিন সলমন খান গাড়ি চালাচ্ছিলেন না। গাড়িটি আমিই চালাচ্ছিলাম।” এর পরেই শোরগোল পড়ে আদালতকক্ষে। তৎক্ষণাৎ সরকারি আইনজীবী গাড়ির চালককে প্রশ্ন করেন, “তাহলে আগে অন্য কথা বলেছিলেন কেন?” যদিও এই প্রশ্নের উত্তর ওই গাড়ির চালক দেননি। প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পর এদিন আদালতে আত্মসমর্পন করেন সলমন খানের গাড়ির চালক।

২৭ মার্চ মুম্বই আদালতে উপস্থিত হয়ে সলমন খান বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমার নামে ভুয়া সাক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে।” যদিও আদালতে সাক্ষীদের অনেকেই প্রায় একবাক্যে বলেন, সলমন গাড়ি থেকে ড্রাইভারের দিকের দরজা দিয়েই বেরিয়েছিলেন। পরে এ ব্যাপারে এজলাসে জিজ্ঞাসা করা হলে সলমন বলেন, “আমার গাড়ির বাঁদিকের দরজা জ্যাম হয়ে যায়। তাই আমি ড্রাইভারের দরজা দিয়ে বের হই।”

এর আগেই এই বিষয়ে সলমন খানের মৃত দেহরক্ষী রবীন্দ্র পাটিলের নিম্ন আদালতে দেওয়া সাক্ষ্য উচ্চতর আদালতের শুনানিতেও গ্রাহ্য করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুম্বই হাইকোর্টের বিচারপতি। যেখানে ওই দেহরক্ষী বলেন, “ঘটনার দিন আমি সলমন খানের পাশের আসনেই বসেছিলাম। উনি ঘোরতর মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। বার বার বলা সত্ত্বেও উনি র‍্যাশ ড্রাইভিং করছিলেন। এর পরেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।” যদিও সলমন খান অস্বীকার করেছেন তার মৃত দেহরক্ষীর বয়ানও। প্রসঙ্গত, সলমন যে সেদিন মদ্যপ ছিলেন, সে কথা মেডিকেল রিপোর্টেও বলা হয়েছে৷ আগামী পয়লা এপ্রিল থেকে চূড়ান্ত পর্যায়ের বিচার প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ দিয়েছে মুম্বই হাইকোর্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।