মুম্বই: ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলায় শুক্রবার মুম্বই দায়রা আদালতে নিজের বয়ান নথিভুক্ত করলেন সলমন খান৷ তাঁর বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ খারিজ করে সলমন বলেন, ঘটনার দিন মদ্যপ অবস্থায় টয়োটা-র ল্যান্ডক্রুজার গাড়িটির চালকের আসনেই ছিলেন না তিনি৷ ওই দুর্ঘটনার জন্য কোনভাবেই দায়ী নন তিনি৷
তাহলে কেন ডানদিকের দরজা দিয়ে গাড়ি থেকে নেমেছিলেন তিনি? তাঁর দেহরক্ষী রবীন্দ্র পাতিল সহ বাকি সাক্ষ্যপ্রমাণের বয়ানের ভিত্তিতে সলমনকে এই প্রশ্ন করা হলে ৪৯ বছর বয়সী এই বলিউড তারকা জানান, ‘আমার গাড়ির বাঁদিকের ডোর জ্যাম হয়ে গিয়েছিল৷ তাই ওইদিককার ডোর খুলতে পারিনি৷’ এভাবে চালকের আসনে বসার কথা কবুল করলেও গাড়ি চালাননি বলেই দাবি সলমনের৷ পার্কিং অ্যাটেনডেন্টের বয়ান অনুযায়ী, গাড়িটির চাবি সলমনের হাতেই দিয়েছিলেন তিনি৷ অথচ আদালতের এজলাসে দাঁড়িয়ে ওই পার্কিং অ্যাটেন্ডেন্টের কথা মনে করতেই পারলেন না সলমন৷

তবে দুর্ঘটনার আগে ভাই সোহেল খানের সঙ্গে বারে যাওয়ার কথা এদিন স্বীকার করে নেন সলমন৷ যদিও জানিয়েছেন, বারে গিয়ে কোনও ককটেল নয়, কেবল বিশুদ্ধ জল খেয়েছিলেন৷ যদিও রেস্টুরেন্টের বিলে খাবারের পাশাপাশি অনুপান হিসাবে ছিল মদের দামেরও উল্লেখ ৷ সলমনের পালটা অভিযোগ, যাঁদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এই মামলা সাজানো হয়েছে, তাঁদের সকলেই সাক্ষ্যই মিথ্যা৷

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে পাঁচ ঘুমন্ত ফুটপাথবাসীকে চাপা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই বলিউড তারকার বিরুদ্ধে৷ ঘটনায় প্রাণ যায় একজনের৷ গুরুতর জখম হন চারজন৷ ২০০২ সালেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়৷

এই মামলায় ইতিমধ্যেই ২৭ জন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এদিনই ছিল সলমন খানের কাছে আত্মপক্ষ সমর্থনের অন্তিম সুযোগ। কারণ ফৌজদারি দণ্ডবিধির ধারা ৩১৩ অনুসারে এই ধরনের মামলার শেষ পর্যায়ে অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তী শুনানি ৩০ মার্চ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.