মুম্বই: লকডাউনের প্রথম থেকেই পানভেলের ফার্ম হাউসে রয়েছেন অভিনেতা সলমন খান। লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ার পরে আর মুম্বইতে ফেরা হয়নি অভিনেতার। ভিডিও কলেই নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন তিনি। কিন্তু লকডাউন ৪.০ শুরু হওয়ার আগেই নাকি মুম্বইয়ের বাড়িতে ফিরে এসেছেন। এতদিন দূরে থেকে পরিবারের জন্য মন খারাপ হচ্ছিল বলে নাকি লকডাউন ভেঙে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। এই খবর সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এ খবর যে সত্যি না তা পরিষ্কার করে দিয়েছে সলমন নিজেই।

এই গুজব ছড়ানোয় সলমন বেশ চটে গিয়েছে বলেই শোনা যাচ্ছে। এমনকী, তিনি আইনি পদক্ষেপও করতে পারেন বলে জানিয়েছেন। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়ায় এই গুজবও ছড়ায় যে সলমন খান তাঁর ফিল্মের কাজও শুরু করে দিয়েছেন। কাস্টিং পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। এই গুজবে চুপ না থাকতে পেরে অবশেষে নিজেই একটি টুইটার পোস্টে মুখ খুলেছেন তিনি।

সলমন লিখেছেন, গুজবে কান দেবেন না। এটা স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে যে আমি বা সলমন খান ফিল্মস এই মুহূর্তে কোনও কাস্টিং এর কাজ করছেন না। আমরা কোনও কাস্টিং এজেন্ট হায়ার করিনি আমাদের পরবর্তী ছবিগুলির জন্য। এই বিষয়ে কোনও মেল বা মেসেজ এলে সেগুলিতে কান দেবেন না। যদি দেখা যায় কেউ আমার বা সলমন খান ফিল্মসের নাম বেআইনি ভাবে ব্যবহার করছে, তাহলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

প্রসঙ্গত, ফার্ম হাউসে সলমন একা নন। সঙ্গে রয়েছেন তাঁর বোন অর্পিতা এবং অর্পিতার দুই সন্তান। ফার্ম হাউসে থেকে সলমনের অন্যতম একটি প্ল‍্যানই ছিল অর্পিতার সন্তান আহিল ও আয়াতের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করা। সোহেল খানের ছেলেও এখানেই রয়েছেন। এছাড়াও আরও কয়েকজন তারকাও রয়েছেন সলমনের সঙ্গে। যেমন যেমন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, রিউমরড বান্ধবী ইউলিয়া ভান্তুর, অভিনেত্রী ওয়ালুশা ডিসুজা এবং গায়ক কামাল খান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।