মুম্বই: বাড়িতে থাকার জন্য অনবরত ভক্তদের সচেতন করে চলেছেন বলি সুপারস্টার সলমন খান। সম্প্রতি আরও একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিওর মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করলেন তিনি। ৯.৩৬ মিনিটের এই ভিডিওয় বোঝালেন ঠিক কেন সরকারের কথা মেনে চলা উচিত। বিগ বসের কায়দায় এই ভিডিওয় কথা বললেন সল্লু ভাই।

সলমন বললেন, ইয়ে জিন্দেগি কা বিগ বস হ্যায়। এই মুহূর্তে রাস্তায় বেরোলে মাস্ক পরা কতটা প্রয়োজনীয় সে ব্যাপারেও সচেতন করেন তিনি। সলমন এই প্রসঙ্গে একটি ঘটনা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, তাঁরই এক বন্ধু কাছেরই একটি বাজারে গিয়েছিলেন। সলমনের ফার্ম হাউসে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের রেশন কিনতে গিয়েছিলেন এবং তিনি মাস্কও পরেছিলেন। কিন্তু তাঁকে পুলিশ আটকায়। তখন মাস্ক খুলে সেই বন্ধু পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। আর এতেই আরও চটে যায় কর্মরত পুলিশকর্মীরা। বাড়িতে ফিরে সলমনকে ঘটনাটি জানান সেই বন্ধু। সুপারস্টারও বলেন, মাস্ক খুলে কথা বলা তাঁর মোটেও ঠিক হয়নি।

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপরে হামলা প্রসঙ্গেও এদিন কথা বলেন সলমন। তাঁর কথায়, চিকিৎসক ও নার্সরা আপনাদের জীবন বাঁচানোর জন্য এলেন আর আপনারা ওঁদের দিকে পাথর ছুড়লেন! আর করোনা ভাইরাস ধরা পড়ার পরেও যাঁরা হাসপাতাল থেকে পালাচ্ছেন! কোথায় পালাচ্ছেন আপনারা? জীবন নাকি মৃত্যুর দিকে?

সলমন আরও বলেন, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে যদি চান, তা বাড়ি থেকে করুন। নিজের পরিবারের সদস্যদের কেন বিপদে ফেলছেন?

প্রসঙ্গত, লকডাউন চলার জেরে মুম্বইয়ের মালেগাঁওতে আটকে পড়েন ৫০ জন মহিলা শ্রমিক। সলমনের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিইং হিউম্যানকে ফোন করে গোটা ঘটনা জানান এক জন শ্রমিক। তার পরেই সলমন সিদ্ধান্ত নেন এই মহিলা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর।

এছাড়াও, মুম্বইয়ের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এমন ২৫ হাজার শ্রমিক পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন সলমন। লকডাউন যতদিন চলবে ততদিন এই ২৫ হাজার শ্রমিকের ও তাঁদের পরিবারের অন্ন সংস্থান করছেন সলমন। নিজে বান্দ্রার যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন, সেখানকরা সমস্ত কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদেরও খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করছে সলমনেরই পরিবার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।