মুম্বই: করোনার জেরে গোটা দেশে লকডাউন চলবছে। ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই লকডাউন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাই সকলেই এখন ঘরবন্দি। কিন্তু যাঁদের সংসার চলে দৈনিক রোজগারের উপরে নির্ভর করে তাঁদের জন্য এই লকডাউন যেন আরও সমস্যা ডেকে এনেছে। এমন কয়েকন নাগরিকদের জন্যই বিশেষ উদ্যোগ নিলেন অভিনেতা সলমন খান।

লকডাউনের জন্য বন্ধ বিনোদন জগতও। আর মুম্বইয়ের বিনোদন জগতেও এমন বহু শ্রমিক আছেন যাঁদের কপালে এখন ভাঁজ। মুম্বইয়ের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এমন ২৫ হাজার শ্রমিক পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন সলমন। এর জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, লকডাউন যতদিন চলবে ততদিন এই ২৫ হাজার শ্রমিকের ও তাঁদের পরিবারের অন্ন সংস্থান করবেন সলমন। সলমনের স্বেচ্ছা সংস্থা বিইং হিউম্যানের দ্বারাই এই ব্যবস্থা হয়েছে।

তবে শুধু বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিকরাই নন। নিজে বান্দ্রার যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন, সেখানকরা সমস্ত কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদেরও খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করছে সলমনেরই পরিবার। জানিয়েছেন সল্লু ভাইয়ের বাবা সেলিম খান। তাঁর কথায়, যাঁরা সারা বছর পাশে থেকে কাজ করে, এই দুর্দিনে তাঁদের পাশে থাকাটাও জরুরি।

তবে নিজেদের নিরাপদে রাখার জন্য সলমন তার পানভেল ফার্ম হাউসে গিয়ে উঠেছেন। তিনি একা নন। সঙ্গে গিয়েছেন তাঁর বোন অর্পিতা এবং অর্পিতার দুই সন্তান। এছাড়া পরিবারের বাকি সদস্যরা। ফার্ম হাউসে থেকে সলমনের প্ল‍্যান অর্পিতার সন্তান আহিল ও আয়াতের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করা। ছোট্ট আয়াতের জন্মদিন আবার ২৭ শে ডিসেম্বর। একই দিনে জন্মদিন সলমনের। তাই দুজনের মধ্যে বন্ডিং যে বেশ ভালোই তা আশাই করা যায়।

এই মুহূর্তে সলমনের নতুন ছবি রাধে ইওর মোস্ট ওয়ান্টেড ভাই এর শুটিং করার কথা ছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমনের জেরে সেই শুট এখন স্থগিত রাখতে হয়েছে সল্লু ভাইকে। তবে করোনার জন্য যে তিনি একঘেয়েমি শিকার হয়েছেন তা বলা চলে না। কারণ কিছুদিন আগেই সলমন ছবি পোস্ট করেছিলেন যে তিনি ঘর বন্দী অবস্থায় ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন। আর বলিউডের সুপারস্টার যে একজন শিল্পী হিসেবে কতটা দক্ষ তা তার ভক্তরা ভালোমতোই জানেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।