মুম্বই: নম্বর বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের তালিকা ক্রমশ লম্বা হচ্ছে। সারা বিশ্বের মানুষ এই মারণ ভাইরাসের জেরে আতঙ্কে। ভারতেও এই মারুন ভাইরাস থাবা বসিয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত গোটা দেশে লকডাউন ঘোষণা করেছেন। বন্ধ রয়েছে বিনোদন জগৎ। সিনেমার শুটিং কবে আবার শুরু হবে তা কেউই এখন বলতে পারছেন না। করোনা সংক্রমনের আতঙ্কেই প্রত্যেকে ঘরবন্দি। আর সেই একই কারণে বলিউডের সুপারস্টার সলমন খান নিজেকে নিরাপদে রাখার জন্য তার পানভেল ফার্ম হাউসে গিয়ে উঠেছেন।

তবে সলমন একা নন। সঙ্গে গিয়েছেন তার বোন অর্পিতা এবং অর্পিতার দুই সন্তান। এছাড়া পরিবারের বাকি সদস্যরা। ফার্ম হাউসে থেকে সলমনের প্ল‍্যান অর্পিতার সন্তান আহিল ও আয়াতের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করা। ছোট্ট আয়াতের জন্মদিন আবার ২৭ শে ডিসেম্বর। একই দিনে জন্মদিন সলমনের। তাই দুজনের মধ্যে বন্ডিং যে বেশ ভালোই তা আশাই করা যায়।

এই মুহূর্তে সলমনের নতুন ছবি রাধে ইওর মোস্ট ওয়ান্টেড ভাই এর শুটিং করার কথা ছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমনের জেরে সেই শুট এখন স্থগিত রাখতে হয়েছে সল্লু ভাইকে। তবে করোনার জন্য যে তিনি একঘেয়েমি শিকার হয়েছেন তা বলা চলে না। কারণ কিছুদিন আগেই সলমন ছবি পোস্ট করেছিলেন যে তিনি ঘর বন্দী অবস্থায় ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন। আর বলিউডের সুপারস্টার যে একজন শিল্পী হিসেবে কতটা দক্ষ তা তার ভক্তরা ভালোমতোই জানেন।

একই রকম ভাবে ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। জাহ্নবী একটি ছবি শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে। সেখানে দেখা যাচ্ছে রং, তুলি, খাতা নিয়ে চোখে চশমা পরে ছবি আঁকছেন তিনি। ক্যাপশনে জাহ্নবী লেখেন, সেল্ফ আইসোলেশন প্রোডাক্টিভিটি।

অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, এই কদিন গৃহবন্দি থেকে নিজের শিল্পী সত্ত্বাকে জাগিয়ে তুলবেন শ্রীদেবী-কন্যা। তবে শুধু জাহ্ন্বী নন। বলিউডের সুপারস্টার সলমন খানও এভাবেই সময় কাটাবেন। সলমন যে খুব ভালো ছবি আঁকেন সে বিষয় অবহিত তাঁর ভক্তরা। আর সেই শিল্পী সত্ত্বাই এই সেল্ফ কোয়ারেন্টাইনে বাঁচাবে তাঁকে।

প্রসঙ্গত, ভারতের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ল আরও। এবার মৃত্যু কাশ্মীরে। বৃহস্পতিবার সকালেই কাশ্মীরে এক ৬৫ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। ভূস্বর্গেও করোনার শিকার এই প্রথম। ইতিমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা ১৫।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।