মুম্বই: রানি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মেহেন্দি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন ফারাজ খান। বর্তমানে সেই অভিনেতা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। একাধিক অস্ত্রোপচারের জন্য অর্থের প্রয়োজন বলে তাঁর পরিবার একটি তহবিল সংগ্রহকারী সংস্থার সাহায্য নিচ্ছিলেন। সেই সংস্থার প্ল্যাটফর্মেই প্রকাশ করা হয় ফারাজের শারীরিক অবস্থা। সেই খবর পৌঁছয় অভিনেতা সলমন খানের কাছে। খবর পাওয়া মাত্রই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সল্লু ভাই।

ফারাজকে সলমনের সাহায্যের খবরটি প্রকাশ করেন অভিনেত্রী কাশ্মেরা শাহ। এই পদক্ষেপের জন্য সলমনের প্রশংসা করেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে সলমনের উদ্দেশে কাশ্মেরা লেখেন, সত্যিই তুমি একজন মহান মানুষ। ফারহাজ খান এবং তাঁর চিকিৎসার খরচের খেয়াল রাখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ফরেব গেম-এর অভিনেতা ফারাজ খানের অবস্থা সঙ্কটজনক। সলমন যেমন বরাবর বহু মানুষকে সাহায্য় করেছেন তেমনই ফারাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমি চিরকাল ওঁর প্রশংসা করব। এই পোস্টটি মানুষের পছন্দ না হলে আমার কিছু যায় আসে না। আমায় আনফলো করতে পারেন। এইটাই আমি ভাবি। এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমি যতজন মানুষকে দেখেছি তাঁদের মধ্যে সলমন সবচেয়ে খাঁটি।

অনেকেই সলমনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। কেউ লিখেছেন, সত্যিই সলমনের মতো কেউ হয় না। কেউ আবার লিখেছেন, ভাইজানকে সবসময়ে শ্রদ্ধা করি। পিছনে কে কী বলছে কিছু যায় আসে না।

৯ এর দশকে ফারেব ও মেহেন্দির মতো বেশ কিছু ছবিতে কাজ করেছিলেন ফারাজ খান। গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন তিনি। বেঙ্গালুরুর বিক্রান্ত হাসপাতালে রয়েছেন তিনি।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন প্রায় এক বছর ধরে ফারাজের বুকে কফ জমে ইনফেকশন হয় এবং সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হয়েছে। এই মুহূর্তে তিনি আইসিইউতে রয়েছেন। আরও ১০ দিন আইসিইউতে তাঁর থাকতে হবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। যার জন্য প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.