মুম্বই: করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে পানভেলে নিজের ফার্মহাউসে থাকছেন অভিনেতা সলমন খান। মুম্বইয়ের বাড়িতে রয়েছেন বাবা সেলিম খান। তাই গত তিন সপ্তাহ ধরে বাবার সঙ্গে দেখা করতে পাচ্ছেন না সুপারস্টার। একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেন সলমন।

সলমনের সঙ্গে সেই ফার্মহাউসে রয়েছে তাঁর ভাই সোহেল খানের ছেলে নির্বাণ। সলমন বলছেন, আমি আমার বাবার সঙ্গে তিন সপ্তাহ দেখা করতে পারছি না। আর আমরা ভাইপো নির্বাণও সোহেলের সঙ্গে দেখা করতে পারছে না।

মুম্বই মিররকে সেলিম খান বলছেন, সলমন আর নির্বাণ এখন আসতে পারবে না। ওরা পানভেল-এ রয়েছে। ওরা ঠিক সময় সুযোগ বুঝে আসবে। ওরা ওখানে বাড়িতেই আছে। আমরা ভিডিও কলিং-এর মাধ্যমে অনবরত যোগাযোগ রাখছি।

পানভেলের ফার্মহাউসে এছাড়াও সলমনের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর বোন অর্পিতা ও তাঁর বাচ্চা আহিল ও আয়াত। তবে ফার্ম হাউসে থেকেও মুম্বইয়ের মানুষদের সাহায্য করছেন সলমন।

বান্দ্রার যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন, সেখানকরা সমস্ত কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদেরও খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করছে সলমনেরই পরিবার। জানিয়েছেন সল্লু ভাইয়ের বাবা সেলিম খান। তাঁর কথায়, যাঁরা সারা বছর পাশেছাড়া থেকে কাজ করে, এই দুর্দিনে তাঁদের পাশে থাকাটাও জরুরি।

মুম্বইয়ের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এমন ২৫ হাজার শ্রমিক পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন সলমন। এর জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, লকডাউন যতদিন চলবে ততদিন এই ২৫ হাজার শ্রমিকের ও তাঁদের পরিবারের অন্ন সংস্থান করবেন সলমন। সলমনের স্বেচ্ছা সংস্থা বিইং হিউম্যানের দ্বারাই এই ব্যবস্থা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।