মুম্বই: পরিচালক সাজিদ খানের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ নতুন নয়৷ এর আগে ফিল্ম ও গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রির একাধিক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেছেন৷ এবার সেই তালিকায় যোগ হল জিয়া খানের বোনের নামও৷ যদিও তিনি নিজের হয়ে অভিযোগ জানাননি৷

তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দিদি জিয়া খানকে যৌন হেনস্তা করেছিলেন সাজিদ৷ প্রয়াত অভিনেত্রী জিয়া খানকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানিয়েছে বিবিসি৷ নাম ‘দ্য ডেথ ইন বলিউড’৷ তবে এই তথ্যচিত্র ভারতে মুক্তি পাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রি ইতিমধ্যেই এই তথ্যচিত্র নিয়ে সরগরম৷

ওই তথ্যচিত্রেরই একটি ক্লিপ এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল৷ ওই ক্লিপটি জিয়া খানের বোনের উক্তি৷ ভিডিওয় তিনি একটি ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন৷ সাজিদ খানকে তিনি জিয়া খানকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে অভিযুক্ত করছেন৷

জিয়া খানের বোন বলেছেন, ঘটনাটি ঘটে ‘হাউজফুল’ ছবির সময়৷ তখন জিয়া খানকে টপ খুলতে বলেছিলেন সাজিদ৷ বাড়ি ফিরে কেঁদে ফেলেছিলেন জিয়া৷ বলেছিলেন, “আমি চুক্তিবদ্ধ৷ যদি আমি ছেড়ে দিই ওরা আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে৷ আমার নামে অপবাদ দিতে পারে৷ যদি আমি থেকে যাই, তাহলে আমাকে যৌন হেনস্তার শিকার হতে হবে৷”

জিয়া খানের বোনের এই ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন কঙ্গনা৷ টুইটারে তিনি লিখেছেন, “ওরা জিয়াকে মেরেছে৷ সুশান্তকে মেরেছে৷ আমাকে মারার চেষ্টা করেছে৷ ওদের প্রতি মাফিয়াদের সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে৷ তাই প্রতি বছর তারা আরও শক্তিশালী ও সফল হচ্ছে৷”

কঙ্গনা আরও বলেন যদি নিজেকে না রক্ষা করা হয় তবে কেউ তাকে রক্ষা করতে পারে না৷ ২০১৩ সালের ৩ জুন মুম্বইয়ের বাড়িতে জিয়া খানের মৃতদেহ পাওয়া যায়৷ তাঁর রহস্যজনক মৃত্যু অনেকদিন ধরেই খবরে ছিল৷ জিয়া খানের মা রাবিয়া খান অভিযোগ তোলেন জিয়া আত্মহত্যা করেননি৷ তাঁকে খুন করা হয়েছে৷

জিয়ার সুইসাইড নোটে আদিত্য পাঞ্চলির ছেলে সুরজ পাঞ্চোলির নাম পাওয়া যায়৷ ২০১৮ সালে সুরজ পাঞ্চোলিকে মুম্বই আদালতে তোলা হয়৷ জিয়া খানকে নিয়ে যে তথ্যচিত্রটি বানানো হয়েছে সেখানে তদন্তের এই সম্পূর্ণ গতিপ্রকৃতি দেখানো হবে৷ ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি ব্রিটেনে এই তথ্যচিত্রটি মুক্তি পায়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।