এই মুহূর্তে গোটা পৃথিবী একটি মাত্র শব্দ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে। তা হল “করোনা” (corona)। ২০২০ সাল থেকে এই শব্দটি আমাদের জীবনে অভিশাপ হিসেবে নেমে এসেছে যেনো। ২০২১ সালের জুন মাসে এসেও তার রেশ কাটছে না। এমন অবস্থায় আমরা প্রত্যেকেই ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি যেন এই কঠিন পরিস্থিতি খুব তাড়াতাড়ি আর সহজেই কেটে যায়। কারণ গত বছর থেকেই আমরা মৃত্যুর মিছিল এবং মানুষের আর্তনাদ দেখে ও শুনে আসছি (corona)।

এই পরিস্থিতিতে কিন্তু একটি গ্রাম আবার অন্যরকম দাবি জানিয়েছিল গত বছর। তারা তাদের গ্রামের নাম পাল্টে ফেলতে চেয়েছিল। তাদের মনে এই ভাইরাস নিয়ে এতটাই আতঙ্ক ঢুকে গিয়েছিল যে তারা সকলেই তাদের গ্রামের নামটি উচ্চারণ করতে ভয় পাচ্ছিল (corona)।

আসলে গ্রামটির নামের সঙ্গেও নাকি জুড়ে রয়েছে “করোনা” শব্দটি। এটি অবস্থিত আল্পস পাহাড়ের পাদদেশে। অস্ট্রিয়ায় একটি ছোট্ট গ্রাম রয়েছে এর নাম “সেন্ট করোনা” (saint corona)। এখন সেই গ্রাম গোটা বিশ্ব জুড়ে বিখ্যাত হয়ে গেছে তার এই অদ্ভুত নামের জন্য। এই গ্রামটিরও বহু বাসিন্দা এই মারণ ভাইরাস এর কবলে পড়েছিল। তাই সেই নিয়ে তাদের মধ্যে আতঙ্ক আরো যেন বেড়ে যায়।

আরো পড়ুন- নিম্নচাপের ধাক্কায় দক্ষিণবঙ্গের আগমন বর্ষার

এমন পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখে সেখানকার মেয়র মাইকেল গ্রুবারও গ্রামবাসীদের মতোই ভাবনা চিন্তা করছিলেন (saint corona)। তিনি জনসমক্ষে নাম পাল্টানোর আবেদন নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এই গ্রামটি পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ এর কেন্দ্র এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্যের কারণে। সেখানকার মনোরম জলবায়ু এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ বহু মানুষকে আকৃষ্ট করে এই গ্রামটির প্রতি (tourism)।

সারা বছরই সেখানে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে। তাই প্রায় ৪০০ বাসিন্দা অর্থনীতির উপরে নির্ভরশীল (tourism)। গত বছর থেকেই অস্ট্রিয়ায় শুরু হয়েছে মারণ ভাইরাসের ত্রাস। সেই সময়ে সেখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে সাত হাজার অতিক্রম করেছিল। তারপরেই এই “করোনা” গ্রামের বাসিন্দারা এমন অদ্ভুত আবেদন জানিয়েছে তাদের মেয়রের কাছে।

গ্রামের এমন নাম শুনে প্রথমে বহু মানুষই হাসাহাসি করেছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.