ব্যাংকক: মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার পর থাইল্যান্ড। নতুন বছরে ফের একটি টুর্নামেন্টে ব্যর্থ সাইনা নেহওয়াল। মালয়েশিয়া ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায়ের পর ইন্দোনেশিয়া মাস্টার্সে খেতাব রক্ষার লড়াইয়ে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিয়েছিলেন লন্ডন অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী। বুধবার থাইল্যান্ড ওপেনেও প্রথম রাউন্ডে দৌড় থামল হায়দরাবাদি শাটলারের। তিন গেমের লড়াইয়ে ডেনমার্কের লাইন কায়েরসফেল্ডটের কাছে হেরে বসলেন অভিজ্ঞ ভারতীয় শাটলার।

এদিন ৪৭ মিনিটের লড়াইয়ে বিশ্বের ৩০ নম্বরের কাছে ১৩-২১, ২১-১৭, ১৫-২১ ব্যবধানে হেরে গেলেন বিশ্বের ১১ নম্বর সাইনা। বুধবার মুখোমুখি হওয়ার আগে ড্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে চারবারের সাক্ষাতে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়েছিলেন ভারতীয় শাটলার। স্বাভাবিকভাবেই সাইনার হয়ে বুধবার বাজি ধরেছিলেন ব্যাডমিন্টন অনুরাগীরা। কিন্তু ১৩-২১ ব্যবধানে এদিন প্রথম গেম খুঁইয়ে ব্যাকফুটে চলে যান গোপীচাঁদের ছাত্রী। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে সম্বল করে দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ফিরে আসেন সাইনা।

২১-১৭ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম নিজের নামে করে নিয়ে ম্যাচ নির্ণায়ক গেমে অবতীর্ণ হন ভারতীয় শাটলার। কিন্তু নির্ণায়ক গেমে ফের ছন্দপতন। অভিজ্ঞতার পাশাপাশি র‍্যাংকিংয়ে অনেকটা পিছিয়ে থাকা ড্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বী নার্ভ ধরে রেখে বাজিমাত করে যান। নির্ণায়ক গেমে তিন পয়েন্ট এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া কায়েরসফেল্ডট বিরতির পর আর পিছনে ফিরে তাকাননি। ব্যবধান বজায় রেখে ২১-১৫ ব্যবধানে নির্ণায়ক গেম জিতে সাইনাকে বাই-বাই করে দেন তিনি।

সাইনার পাশাপাশি পুরুষদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছেন সমীর বর্মা, কিদাম্বি শ্রীকান্ত ও এইচএস প্রণয়। ৬৮ মিনিটের লড়াইয়ে র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার লিউ ডারেনের কাছে ২১-১৭, ২০-২২, ২১-১৯ ব্যবধানে হেরে যান প্রণয়। ইন্দোনেশিয়ার হিরেন রুস্তাভিতোর কাছে ৪৮ মিনিটের লড়াইয়ে হেরে যান শ্রীকান্তও। একইসঙ্গে মালয়েশিয়ার লি জি জিয়ার কাছে সমীর বর্মা হেরে যাওয়ায় থাইল্যান্ডে শেষ হয় ভারতের অভিযান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I