ব্যাংকক: শ্রীকান্তের ওয়াকওভার, সাইনার হার। পুরুষদের ডাবলসে দ্বিতীয় রাউন্ডে হারলেন চিরাগ শেট্টি-সাত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি জুটিও। সবমিলিয়ে বছরের শুরুতে থাইল্যান্ড ওপেনে ভারতীয় অ্যাথলিটদের দৌড় দীর্ঘায়িত হল না। পিভি সিন্ধু বুধবারই ব্যর্থ হয়েছিলেন প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকাতে। এদিন থাইল্যান্ডেরই প্রতিদ্বন্দ্বী বুসানন ওংবামরুংফানের কাছে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে হেরে যান সাইনা নেহওয়াল।

তবে দুর্ভাগ্যের শিকার কিদাম্বি শ্রীকান্ত। কাফ মাসলে চোট পেয়ে অষ্টম বাছাই মালয়েশিয়ার শাটলার লি জি জিয়াকে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ওয়াকওভার দেন তিনি। চিরাগ-সাত্বিক জুটি দ্বিতীয় রাউন্ডে স্ট্রেট গেমে পরাজিত হয়েছেন দ্বিতীয় বাছাই ইন্দোনেশিয়ান জুটির কাছে। তরুণ ভারতীয় জুটির বিপক্ষে ম্যাচের ফল ১৯-২১, ১৭-২১। দিনের শেষে অভিজ্ঞ অশ্বিনী পোনাপ্পা-সাত্বিকসাইরাজ জুটি মিক্সড ডাবলসের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে হেরে বসেন হংকং’য়ের প্রতিপক্ষের কাছে।

কিদাম্বি শ্রীকান্ত ওয়াকওভার দেওয়ার বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে নেন। তিনি জানান, ‘মাসল স্ট্রেনের কারণে থাইল্যান্ড ওপেন থেকে নাম তুলে নেওয়ার জন্য আমাকে উপদেশ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আশা করছি আগামী সপ্তাহে আমি ফিট হয়ে থাইল্যান্ড লেগের পরবর্তী লেগে কোর্টে ফিরতে পারব।’

বিশ্বের ১২ নম্বর থাইল্যান্ডের বুসাননের বিরুদ্ধে এদিন প্রথম গেম জিতে নিয়ে ম্যাচে এগোলেও পরের দু’টি গেম হেরে থাইল্যান্ড ওপেনে দৌড় শেষ হয় সাইনার। এই নিয়ে বুসাননের বিরুদ্ধে হায়দরাবাদি শাটলারের টানা চতুর্থ হার। সাইনার বিপক্ষে এদিন ম্যাচের ফল ২৩-২১, ১৪-২১, ১৬-২১। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালেই টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগে সাইনার করোনা আক্রান্তের খবরে শোরগোল পড়েছিল ভারতীয় ব্যাডমিন্টন মহলে৷ যদিও রাতে সেই রিপোর্ট ভুল ছিল বলে জানিয়েছিল ওয়ার্ল্ড ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন৷

এরপর বুধবার কোর্টে নেমে সহজ জয় ছিনিয়ে নেন সাইনা৷ প্রথম রাউন্ডে মালয়েশিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী কিসোনা সেলভাদুরেকে স্ট্রেট গেমে (২১-১৫,২১-১৫) উড়িয়ে দিয়ে মহিলা সিঙ্গলসের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠছিলেন সাইনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।