হুগলি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সোমবার হুগলির সাহাগঞ্জ ডানলপ ময়দানে সভা করে রাজ্য সরকারকে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, নারী নির্যাতন প্রসঙ্গে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। আজ বুধবার ঠিক তার পরেই তৃণমূল (Trinamul) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সেই একই হুগলির সাহাগঞ্জ ডানলপ ময়দান থেকে নরেন্দ্র মোদীকে বেলাগাম ভাষায় বিঁধলেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, “আমাদের বলছে তোলাবাজ। একটা ২২/২৩ বছরের ঘরের বউকে বলছে কয়লা চোর। আপনারা সেল, রেল,সব বিক্রি করে দিচ্ছেন। নোটবন্দির টাকা কোথায় গেলো? আমরা তোলাবাজ? আপনারা তো দেশের সব বিক্রি করে কাটমানি খাচ্ছেন।”

নরেন্দ্র মোদী সোমবার সভা মঞ্চ থেকে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেও প্রধানমন্ত্রীর মুখে সেদিন ডানলপ টায়ারের কারখানা খোলার সম্পর্কে কোনও কথা ছিল না। এদিন এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২০১৬ সালে রাজ্য সরকারের তরফে ডানলপ কারখানার পুনরুজ্জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। রাজ্য সরকার সেই প্রকল্প অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠাই । সেটা ফেলে রেখেছে। ডানলপের মালিক পবন রুইয়ার শরৎ বসু রোডের বাড়িতে বিজেপি নেতারা থাকে। আর আমরা ডানলপের শ্রমিকদের ১০ হাজার টাকা করে সাহায্য দিই।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “খেলা তো হবেই। বাংলার একটা খেলায় যদি যদি হারিয়ে দেন তাহলে দেশ থেকে ওদের সরানো যাবে। দেশটা একটা রাবন আর একটা দানব চালাচ্ছে। ব্যাঙ্ক বন্ধ করে দিচ্ছে। জীবন বিমার ৭৪% শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে। আপনারা কী বাংলা বাংলা থাকুক চান না? বাংলা বিক্রি করে দেওয়া চান? বাংলা গুজরাট, হরিয়ানা শাসন করবে না। সব হাতকাটারা হাজির। দুর্গাপুরে কার হোটেলে থাকে ওরা? আমি এতো ছোট লোকের নাম বলবো না। সবচেয়ে দুর্নীতিপরায়ণ দল বিজেপি। ওখানে মেয়েদের সম্মান নেই। ওরা আমাকে ভয় পায় । আমাকে ভয় দেখিয়ে কিছু হবে না। কজনকে গ্রেফতার করবে? জেল, ভেঙে বেরিয়ে আসবে।”

মমতা এদিন বলেন, “আগেরবার আদিসপ্তগ্রাম, বলাগড় পাইনি। মানুষের রায়কে সম্মান করি। আমাদের যা ত্রুটি ছিল সেটা সংশোধন করে নিয়েছি। এদের আনবেন না। সিপিএম-কংগ্রেস-এর ফানুশকে বাড়তে দেবেন না।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “আপনারা একটা হুগলিতে আসন পেয়েছেন বলে নেচে নেচে বেড়াচ্ছেন। বলছেন তাকধিন তাকধিন তা হুগলি নিয়ে যা। এতো সোজা নয়। বাঙাল লে লেঙ্গে বলছেন, বাংলা নেওয়া এতো সোজা নয়।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.