নয়াদিল্লিঃ অলিম্পিক (Tokyo Olympics) শুরু হতে আর বাকি মাত্র ৪২ দিন। আগামী ২৩ জুলাই থেকে টোকিওতে শুরু হয়ে যাবে বহু প্রতীক্ষিত এই ইভেন্টটি। চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন খেলার ১০০ জন অ্যাথলিট টোকিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছেন। আরও কয়েকজন যোগ্যতা অর্জন করবেন বলে এখনও আশা করা হচ্ছে। এবার ভারতের আটজন ফ্রি-স্টাইল কুস্তিগির অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। কিন্তু একজনও ভারতীয় গ্রেকো-রোমান কুস্তিগির (Greco-Roman grappler) অলিম্পিকে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। তাই টুর্নামেন্টটি শুরুর প্রাক্কালে ভারতের গ্রেকো-রোমান কুস্তির জর্জিয়ান কোচ টেমো কাসারাশভিলিকে (Temo Kasarashvili) বরখাস্ত করল স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (SAI)।

স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (SAI) তরফ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে এই কথাটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিবৃতিটিতে লেখা হয়েছে, ‘একজনও গ্রেকো-রোমান কুস্তিগির অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারার জন্য সাই (SAI) বিদেশি কুস্তি কোচ টেমো কাসারাশভিলিকে (Temo Kasarashvili) তাঁর চুক্তি থেকে মুক্তি দিয়ে দিয়েছে। রেসলিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (WFI) সুপারিশ করার পর এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। সাইয়ের সঙ্গে কাসারাশভিলির চুক্তি ২০১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে অলিম্পিক পর্যন্ত ছিল’।

বুলগেরিয়ার সোফিয়াতে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক ওয়ার্ল্ড অলিম্পিক কোয়ালিফায়ারে অংশগ্রহণকারী একজনও গ্রেকো-রোমান কুস্তিগির নজরকাড়া পারফর্ম করতে পারেননি। অংশু(৬৭ কেজি), গুরপ্রীত সিং (Gurpreet Singh)(৭৭ কেজি), সুনীল কুমার (Sunil Kumar)(৮৭ কেজি) এবং দীপাংশু(৯৭ কেজি) টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নেন। অপরদিকে শারীরিক অসুস্থতার কারণে সচিন রানা (Sachin Rana)(৬০ কেজি) প্রতিযোগিতাটি থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন এবং নবীন কুমার (Naveen Kumar)(১৩০ কেজি) নিজের প্রথম বাউটের আগেই কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ায় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।

গত বছর মার্চ মাসে কোভিড সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সারা দেশে লকডাউন ঘোষিত হওয়ার পর কাসারাশভিলি (Temo Kasarashvili) জর্জিয়া ফিরে গিয়েছিলেন। চার মাস তিবিলিসিতে কাটানোর পর আগস্টে ভারত ফিরে সোনপতে ন্যাশানাল ক্যাম্পে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.