ঢাকা: ফের বাংলাদেশে ইন্দ্রপতন। এবার প্রয়াত প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। থাইল্যান্ডে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। এর আগে বাংলাদেশে চিকিৎসার সময় তাঁর করোনা সংক্রমণ হয়েছে বলে সন্দেহ হয়। পরে সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের দেহ বাংলাদেশে আনা হবে। গত সোমবার সাহারা খাতুনকে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে ঢাকাতেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় গত ২ জুন সাহারা খাতুন ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন।

পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ১৯ জুন সকালে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হন। এরপর পরিবারের অনুমতিতে বর্ষীয়ান নেত্রীর চিকিৎসা চলছিল থাইল্যান্ডের হাসপাতালে। সেখানেই তাঁর প্রয়াণ হয়েছে।

সাহারা খাতুনের মৃত্যুর সংবাদে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। এর আগেও দুই মন্ত্রীর প্রয়াণ হয় করোনা ভাইরাসে। পরে দুই নন্দিত বুদ্ধিজীবী আনিসুজ্জামান ও কামাল লোহানীর প্রয়াত হয়েছেন।

সাহারা খাতুন ১৯৪৩ সালে ঢাকার কুর্মিটোলার জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। পরে সাময়িক সময়ে শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।