নয়াদিল্লি : করোনা আবহে মানুষ যাতে সুস্থ থাকেন, যাতে নিরাপদ থাকেন, সেই চেষ্টাই করে চলেছে কেন্দ্র। মোদী সরকারের প্রধান লক্ষ্য যেন মানুষ ভালো থাকেন। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছে কেন্দ্রের সরকার। এমনই মন্তব্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।

এদিন শাহ বলেন, এক ঐক্যবদ্ধ ভারতই পারবে করোনার মত ভাইরাসের মোকাবিলা করে এই অসম যুদ্ধ জয় করতে। কেন্দ্র সরকার সেই চেষ্টাই করে চলেছে।

হিন্দিতে ট্যুইট করে অমিত শাহ বলেন এই উৎসবের মরসুমে প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে। কেন্দ্র যেভাবে চেষ্টা করছে প্রত্যেককে সুস্থ রাখার, সেই দায়িত্ব প্রত্যেক ব্যক্তিরও। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রত্যেকের কাছে আবেদন জানান ঘরে থাকার জন্য। যতদিন না করোনার ভ্যাকসিন বের হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত সাবধানে থাকার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত গাফিলতি নয়৷ জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে মোদী বলেন আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা প্রাণপণ লড়ছেন৷ অনেকগুলি ভ্যাকসিনের কাজ চলছে দেশে৷ বহু দেশ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য কাজ করছেন৷ ভ্যাকসিন এলেই তা দ্রুত বন্টন করা হবে৷ প্রত্যেক নাগরিক যাতে ভ্যাক্সিন পায়, তার জন্য সবরকমের চেষ্টা চলছে৷ তাই ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত বিধি নিষেধে কোনও গাফিলতি নয়৷

কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তাবিত প্যানেল মনে করছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ লোক করোনা আক্রান্ত হবেন৷ অর্থাৎ দেশের ১.৩ বিলিয়ন মানুষ সংক্রমিত হতে পারেন৷ এই পরিস্থিতিতে প্যানেলের সদস্যরা জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে দেশের ১.৩ বিলিয়ন মানুষ করোনা আক্রান্ত হবেন।

এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে মোট ৭.৫৫ মিলিয়ন মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দিয়ে বিচার করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরেই ভারতের স্থান। প্যানেলের দাবি এখনও পর্যন্ত দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সেই হার ৫০ শতাংশে গিয়ে পৌঁছবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।