কলকাতা: করোনার (Corona virus) সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলায় কার্যত নাভিশ্বাস ছুটেছে রাজ্য সরকারের। বাধ্য হয়েই সংক্রমণে লাগাম টানতে কার্যত লকডাউনের পথে হেঁটেছে রাজ্য সরকার। জেলায়-জেলায় ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে (School) এবার সেফ হোম (Safe Home) তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই জেলাশাসকদের এই মর্মে চিঠি পাঠিয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর।

অতিমারী মোকাবিলায় সেফ হোমের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। জেলায়-জেলায় কোভিড রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে সেফ হোমের প্রয়োজনীয়তাও দারুণ ভাবে বেড়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে এবার সেফ হোম তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলাশাসকদের (DM) চিঠি পাঠিয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর। এলাকার স্কুলগুলিকে ফাঁকা করতে বলা হয়েছে। স্কুলগুলি জীবাণুমুক্ত করতে তৎপরতা নিতেও বলেছে স্কুলশিক্ষা দফতর।

রাজ্যে বেড়েই চলেছে সংক্রমণ। সোমবার সন্ধেয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে রাজ্যে করোনার বলি ১৪৭। একদিনে রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৯,০০৩ জন। একদিনে কলকাতা (Kolkata) শহরেই ৩,৮৯৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগনার সংক্রমণ পরিস্থিতি মারাত্মক আকার নিয়েছে।

কলকাতা লাগোয়া এই জেলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,২২০ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ১,২৬৯। হাওড়া ও হুগলিতেও করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে অতিমারী ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি নিচ্ছে। দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা।

এই পরিস্থিতিতে জেলায়-জেলায় এবার সেফ হোমের সংখ্যা আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই একাধিক স্টেডিয়াম, (Stadium) হোটেলে (Hotel) সেফ হোম বানো হয়েছে। তবে এবার রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতেও সেফ হোম তৈরির তৎপরতা নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই জেলাশাসকদের এই মর্মে চিঠি পাঠিয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর। স্কুলগুলিকে ফাঁকা করতে বলা হয়েছে। স্কুলগুলি জীবাণুমুক্ত করতে তৎপরতা নিতেও বলেছে স্কুলশিক্ষা দফতর।

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১১ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৩৩। ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ ৭ হাজার ৪৪২ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। রাজ্যে করেনাায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ হাজার ৪৩১।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.