ভোপাল: একের পর এক বাক্যবাণ ছুঁড়েছেন৷ ভোট চলাকালীন নিজের বিতর্কিত মন্তব্যে বারবার অস্বস্তিতে ফেলেছে দলকে৷ মধ্যপ্রদেশের ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা কখনও নাথুরাম গডসেকে নিয়ে, কখনও গোমূত্রে ক্যান্সার নিরাময় নিয়ে, আবার কখনও হেমন্ত কারকারেকে নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক তৈরি করেছেন৷

এবার ভোট শেষ, সাধ্বী প্রজ্ঞা নাকি মৌন ব্রত পালন করবেন৷ কিন্তু হঠাত কি কারণে এই বোধোদয় তাঁর? প্রজ্ঞা বলছেন নির্বাচন চলাকালীন তাঁর মন্তব্যে তিনি যারপরনাই লজ্জিত৷ তাই দুদিনের মৌনব্রত নিতে চান তিনি৷ সোমবার সকালে একটি ট্যুইট করে নিজের এই অবস্থান সম্পর্কে ঘোষণা করেছেন সাধ্বী৷ তিন দিন পরে তিনি আবার ফিরবেন বলেও উল্লেখ করেছেন৷

আরও পড়ুন : গেরুয়া ঝড়ের ইঙ্গিতেই কি সোনিয়ার সঙ্গে বৈঠক বাতিল মায়াবতীর, উঠছে প্রশ্ন

নিজের দেশপ্রেমিক মন্তব্যের জন্য এদিন ক্ষমা চেয়েছেন সাধ্বী৷ বলেছেন, নাথুরাম গডসেকে দেশপ্রেমিক বলে যে বিতর্ক তিনি উসকে দিয়েছেন, তার জন্য তিনি লজ্জিত৷ এতে যদি কোনও দেশপ্রেমিকের পরিবার কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষমা চাইছেন তিনি৷ তাই প্রায়শ্চিত্ত করার জন্যই তিনি মৌনব্রত নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সাধ্বী৷

সাধ্বী প্রজ্ঞা বলেছিলেন নাথুরাম গডসে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক ছিলেন, থাকবেনও৷ ‘নাথুরাম গডসে স্বাধীন ভারতের প্রথম হিন্দু সন্ত্রাসবাদী’৷ সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের ভোটসপ্তমীর আগে জাতির জনকের খুনিকে টেনে এনে বিতর্কে জড়ান অভিনেতা থেকে নেতা হওয়া কমল হাসান৷ সেই মন্তব্য দেশ জুড়ে প্রবল বিতর্কের ঝড় তোলে৷ এত কিছুর পরেও নিজের মন্তব্যে অনড় কমল হাসান৷ এবার জানান, যা বলেছেন তা ঐতিহাসিক সত্য৷

উল্লেখ্য, ২০০৮-এ মহারাষ্ট্রের মালেগাঁওতে একটি মসজিদের সামনে ২০০৮-এর ২৯ সেপ্টেম্বর পর পর কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণে ৬ জন মারা যান। সেই হামলায় সাধ্বীর যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছিল। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।