নয়াদিল্লি: শহিদ হেমন্ত কারকারেকে নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক৷ অস্বস্তিতে বিজেপি৷ এই অবস্থায় পিছু হটলেন সাধ্বী প্রজ্ঞা৷ নিজের মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইলেন ভোপালের বিজেপি প্রার্থী৷

আরও পড়ুন: মমতার রাজ্যে হিংসা কাশ্মীরের থেকেও ভয়ঙ্কর: মোদী

তবে কারণ হিসাবে তুলে ধরেছেন দেশপ্রেমের ব্যাখ্যা৷ সাধ্বী প্রজ্ঞা জানিয়েছেন, শহিদ হেমন্ত কারকারেকে নিয়ে তাঁর মন্তব্যে সুবিধা হতে পারে শত্রু দেশের৷ তাই মন্তব্য ফিরিয়ে নিচ্ছেন তিনি৷ তবে জেলে থাকার সমন পুলিশি অত্যাচারের যে অভিযোগ তিনি এনেছিলেন তা থেকে সরছেন না৷ তাঁর কথায়, ‘‘ওটা আমার ব্যক্তিগত যন্চ্রণার জায়গা৷’’

মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলায় শহিদ হন মহারাষ্ট্রের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াডের প্রধান হেমন্ত কারকারে৷ প্রচারে সেই শহিদ পুলিশ অফিসারকে নিয়ে বিতর্কীত মন্তব্য করেন সাধ্বী প্রজ্ঞা। তিনি বলেন, ‘‘তাঁর উপর যে পুলিশি অত্যাচার হয়েছে তার নেতৃত্বে ছিলেন হেমন্ত কারকারে।’’ তাঁকে দিয়ে জোর করে ২০০৮-এর মালেগাঁও বিস্ফোরণের যুক্ত হওয়ার কথাও নাকি বলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়৷ ব্যক্তিগত রাগ থেকেই প্রজ্ঞা হেমন্তকে অভিশাপ দিয়েছিলেন। যার জেরে মুম্বই হামলার সময় হেমন্ত নিহত হন৷ দাবি করেছেন বিজেপির প্রার্থী৷

আরও পড়ুন: কলকাতাকে মধ্যমণি করে বাংলাই পথ দেখাবে গোটা দেশকে: প্রধানমন্ত্রী

এরপরই কমিশনে রিপোর্ট যায় সাধ্বী প্রজ্ঞার বিরুদ্ধে৷ প্রতিবাদ আসতে থাকে বিভিন্ন মহল থেকে৷ বেগতিক বুধে সাধ্বীর মন্তব্য ব্যক্তিগত বলে দায় এড়ায় বিজেপি৷ তারপরই শহিদ হেমন্ত কারকারেকে নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.