জয়পুর: গত সপ্তাহে সেক্স র‍্যাকেটের সঙ্গে এক সাধুবাবার নাম জড়ায়৷ সেই ঘটনার তদন্ত করতে অপর এক চক্রের সঙ্গেও নাম জড়াল ওই সাধুর৷ গুজরাতের রাজকোটের ঘটনা৷ পুলিশ স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ স্বামী অক্ষর প্রকাশ দাসকে অপর একটি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেফতার করেছে৷

ভগবানপুর পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত সাধু স্বামীনারায়ণ গুরুকুলে থাকত৷ সম্প্রতি পুলিশ একটি জালনোট পাচার চক্রের পর্দাফাঁস করে৷ সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই ওই সাধুবাবার নাম প্রকাশ্যে আসে৷ ভণ্ড সাধুর বিরুদ্ধে ৪৮৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ এছাড়াও পুলিশ চন্দু পাটেল নামের অপর এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে৷ এই ব্যক্তি এই চক্রে দালালের কাজ করত৷

টিওআইয়ের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহেই ভাবনগর পুলিশ জালনোট চক্রের পর্দাফাঁস করে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে৷ ধৃত পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সাধুর নাম প্রকাশ্যে আসে৷ পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, স্বামী অক্ষর প্রকাশদাস তাদের তিন লক্ষ টাকার জালনোট দিয়ে মার্কেট থেকে দেড় লক্ষ টাকার আসল নোট তচুলে আনার টার্গেট দিয়েছিলেন৷

গত সপ্তাহে চরের মাধ্যমে পুলিশস জানতে পারে. মহেন্দ্র সিং, কাবা, লক্ষ্মণ ও তাদের অপর এক সঙ্গী ভূপতের সঙ্গে দেখা করে জালনোট নোট নেবে৷ গত ২৩ মার্চ তাদের বৈঠকের দিন ঠিক হয়৷ অভিযুক্তরা যখন নিজেদের মধ্যে ব্যাগ বদলি করছিল তখনই পুলিশ তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করে৷ পুলিশ ওই ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে ৫০০ টাকার মোট ৩৮৫টি নোট উদ্ধার করে৷ প্রত্যেকটি নোটের সিরিয়াল নম্বর একই ছিল৷
পুলিশ আধিকারিকদের মতে ভুপত ফটো এডিটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে আসল নোট স্ক্যান করে নকল নোট তৈরি করে৷ পুলিশ তাদের ডেরা থেকে স্ক্যানার, প্রিন্টার ও জালনোটসহ অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে৷