নয়াদিল্লি: রাজস্থানের রাজনীতি নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। শাসক দলের অন্দরেই শুরু হয়েছে সমস্যা। এর মধ্যেই জল্পনা উস্কে ট্যুইট করলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

মাস কয়েক আগেই কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে আসেন এই তরুণ রাজনীতিক। সিন্ধিয়ার সঙ্গেই বারবার একইসঙ্গে উচ্চারোত হয় শচিন পাইলটের নাম। কংগ্রেসের মেধাবী, তরুণ নেতাদের মধ্যে অন্যতম পাইলট। আর তাঁকে নিয়েই এবার মুখ খুললেন সিন্ধিয়া।

রবিবার ট্যুইট করেন সিন্ধিয়া। প্রাক্তন সহকর্মীর সঙ্গে সমবেদনা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি লিখেছেন, ‘শচিন পাইলটকে দেখে খারাপ লাগছে। ওকেও দলে কোনঠাসা করছেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। আসলে কংগ্রেসে মেধার জায়গা খুবই কম।’

বিজেপি সরকার উল্টে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে সাংবাদিক বৈঠক করে শনিবার অভিযোগ করেছিলেন গেহলট। তারপর ২৪ ঘণ্টা ঘুরতেই খোদ রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী শচিন পাইলটের গুরুতর অভিযোগের মুখে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী।

গেহলট তাঁকে ক্রমাগত কোণঠাসা করে চলেছেন বলে দলের হাইকমান্ডের কাছে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন রাজস্থানের প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি তথা রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলট। নিজের ক্ষোভের কথা জানাতে ইতিমধ্যেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন সচিন। সেখানে সনিয়া গাঁধী-সহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হতে পারে তাঁর।

মাস তিনেক আগে কমল নাথের সঙ্গে সঙ্ঘাতে দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন মধ্যপ্রদেশের তরুণ নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। এতে রাজ্যের শাসনভারই হারাতে হয়েছে কংগ্রেসকে। তাই এক্ষেত্রেও কংগ্রেস সিঁদুরে মেঘ দেখছে কংগ্রেস।

এমনকি দলের প্রবীণ নেতা কপিল সিব্বল টুইটারে লেখেন, ‘‘দলের জন্য চিন্তা হচ্ছে। ঘোড়া আস্তাবল ছেড়ে পালিয়ে গেলে তবেই কি ঘুম ভাঙবে আমাদের?’’

কমপক্ষে ২৩ জন বিধায়কের সমর্থন তাঁর সঙ্গে রয়েছ বলে শীর্ষ নেতৃত্বকে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন শচিন। তাঁদের মধ্যে থেকে ১০-১২ জন শনিবারই দিল্লি এসে পৌঁছন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে তাঁরাও নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে চান বলে সূত্রের খবর।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ