দিল্লি: আমরা যতই ইতিহাসের পাতা উল্টাতে থাকি, ততই অবাক হতে হয়। নানা সভ্যতা, নানা রীতির মিশেল আমাদের দেশ। কিছু সভ্যতার মধ্যে আবার এইট নিয়মের দিক থেকে নানা মিলও পাওয়া যায়। কিছু নিয়ম আবার মেনে নেওয়া যায় না। তবে মনে করা হয় অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কার থেকেই সেই বিশ্বাসগুলি জন্মেছিলো। তেমনই এক রীতি ছিল এই সভ্যতায়। সেখানে শিশুবলি দেওয়া হতো। কোথায় ছিল জানেন এই নৃশংস রীতির চল? প্রাচীন পেরুতে চিমু সভ্যতার অস্তিত্ব ছিল। সেখানে মা-বাবারাই নিজের সন্তানদের বলি দিতো। এমন নারকীয় হত্যাকান্ড ইতিহাসে আর একটাও নেই। উত্তর পেরুর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে বাস ছিল এই সভ্যতার। কিন্তু কেন এমন করতো তারা?

এই সভ্যতা মূলতঃ গড়ে ওঠে কৃষি ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে। এই সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ হিসেবে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে ১৪০টি শিশুর দেহের অবশিষ্টাংশ। এগুলি পরীক্ষা করা থেকেই বোঝা গিয়েছে যে সেই সময়ে শিশুবলির চল ছিল। এদের বয়স ছিল ৫ থেকে ১৪ বছরের মধ্যেই। এর মধ্যেও চরম নিষ্ঠুরতার খোঁজও পাওয়া গিয়েছে। কিছু কিছু শিশুর হাড় কেটে ফেলা হয়েছিল। কারুর আবার হৃৎপিণ্ড বের করে নেওয়া হয়েছিল। অনেকগুলি কঙ্কালের পাঁজর নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি একটি বহু পুরোনো মন্দিরের কাছ থেকে ৪২টি শিশু ও ৭৬টি লামার দেহাবশেষ আবিষ্কার করা হয়েছে।

আরো পোস্ট- মহিলারাই চালান বাজার! পুরুষ হলে পাবেন না অধিকার

লামা হলো একটি বিশেষ প্রাণী যা উট পাখির মতো দেখতে ছিল। এদের আবার ২০০টি কঙ্কাল খুঁজে পেয়েছে অভিযানকারী একটি দল। যেসব লামার কংকাল পাওয়া গিয়েছে তাদের বয়স মনে করা হচ্ছে ১৮ মাসেরও কম ছিল। আসলে সেই সময়ে এদের উপাস্ও দেবতা ছিল চন্দ্র ও সূর্য। সেই সময়ে প্রকৃতিকেই দেবতাজ্ঞানে পুজো করার চল সৃষ্টি হয়েছিল।

এই রীতি আরো অনেক সভ্যতায় খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে যে সেই দেবতাদের খুশি করতেই তারা এই নারকীয় রীতি মেনে চলতো। যে জায়গা থেকে শিশুদের দেহ পাওয়া গিয়েছে সেখানে দেখা গেছে শুকনো কাদামাটির স্তুপ। এটি অতিবৃষ্টির সংকেত। এর থেকে ধারণ করা যায় যে কৃষিকাজকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতায় কৃষিকাজের জন্যে আবহাওয়া যাতে ঠিক থাকে সেই উদ্দেশ্যেই এই আচার ছিল। এখানে কোনো সময় হয়তো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। তাই দেবতাকে সন্তুষ্ট করেছিল তারা এভাবেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।