নয়াদিল্লি : কেন মনোনয়ন বাতিল করা হল তাঁর? এই প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বহিষ্কৃত বিএসএফ জওয়ান তেজ বাহাদুর৷ কিন্তু কমিশন জানিয়ে দেয় তাঁর মনোনয়নপত্রের তথ্যে ভুল রয়েছে৷ সেই কারণে বারাণসীর সপা প্রার্থী তেজ বাহাদুরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে৷

কমিশনের এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হতে পারেননি তিনি৷এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তেজ বাহাদুর৷ নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছেন তিনি৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে বারাণসী লোকসভা কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছিল সমাজবাদী পার্টি৷

২০১৭ সালে সেনাবাহিনীকে নিম্নমানের খাবার দেওয়ার অভিযোগ করে একটি ভিডিও করেন এই প্রাক্তন বিএসএফ জওয়ান৷ বিতর্কিত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে শিরোনামে আসেন তিনি৷ জওয়ানদের খারাপ খাবার দেওয়া হয় এমন অভিযোগ তোলেন তেজবাহাদুর সিং৷ তারপরেই বরখাস্ত করা হয় তাঁকে৷ শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বরখাস্ত হন তেজ বাহাদুর৷

সেই সেনাবাহিনীর প্রতি বর্তমান সরকারের ব্যর্থতার বিষয়গুলি তুলে ধরতেই ভোটে দাঁড়ান তিনি। তেজ বাহাদুর মোদীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোয় অস্বস্তিতে পড়ে বিজেপি৷ কারণ প্রতিটি জনসভায় নিয়ম করে সেনার কৃতিত্ব নিয়ে বড়াই করে থাকেন বিজেপি নেতারা৷ সেই সেনার এক বরখাস্ত হওয়া জওয়ান মোদীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ায় উল্লসিত বিরোধীরা৷ তারা শুরু থেকেই বিজেপি বিরুদ্ধে জওয়ানদের নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ তোলে৷

ট্যুইটার পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘এই প্রাক্তন জওয়ান হারতেও চান না , জিততেও চান না। ভারতীয় আধা সামরিক বাহিনীর প্রতি সরকারের ব্যর্থতার বিষয়গুলো তুলে ধরতেই তাঁর নির্বাচনে লড়তে আসা।”

প্রসঙ্গত, মনোনয়নপত্রে দুই রকম তথ্য দেওয়ায় তাঁকে নোটিশ পাঠায় কমিশন৷ তেজ বাহাদুর প্রথমে বারাণসী কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসাবে দাঁড়ান৷ পরে সপা’র প্রার্থী হন এবং ফের মনোনয়নপত্র জমা দেন৷ দুটি মনোনয়নপত্র খতিয়ে দেখে কমিশন৷ এবং দুটি মনোনয়নে সেনা থেকে বরখাস্ত হওয়ার আলাদা কারণ দেখান৷

কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম মনোনয়নে তিনি জানান তাঁকে সেনা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে৷ কিন্তু দ্বিতীয় মনোনয়নপত্রে সেই ব্যাপারে কিছু উল্লেখ করেননি৷ তাই কাগজপত্র সহ তাঁকে কমিশনে আসতে বলা হয়৷ এরপর সব খতিয়ে দেখে রিটার্নিং অফিসার তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I