নয়াদিল্লি: হরমনপ্রীত কউরের আর আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই৷গত বৃহস্পতিবার তাঁর চওড়া ব্যাটেই ভর করে ভারত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ছ’বারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল৷এই একটা ইনিংসেই আসমুদ্র হিমাচল উত্তাল করে দিয়েছেন হরমনপ্রীত৷তাঁর মহাজাগতিক ইনিংস ক্রিকেট প্রেমীদের মনে করিয়ে দিয়েছে ৩৪ বছর আগের ‘হরিয়ানা হ্যারিকেন’ কপিল দেবের অবিস্মরণীয় ১৭৫ রানের ইনিংসকে৷ কপিলও যে রকম চাপের মুখে সে দিন অপরাজিত ১৭৫ করে ভারতকে একাই জিতিয়েছিল, বিষ্যুদবারও হরমন সেটাই করে দেখালেন৷কপিলের বিরুদ্ধে সে দিন ছিল জিম্বাবোয়ে৷হরমনের প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া৷গতবারের চ্যাম্পিয়ন৷

বছর আঠাশের পঞ্জাব তনয়া হরমনপ্রীতকে চাকরি পরিবর্তন করেছিলেন ডায়না এডুলজি৷ভারতীয় দলের প্রাক্তন মহিলা অধিনায়ক ও অধুনা সিওএ-র (কমিটি অফ অ্যাডভাইজরি) সদস্য ডায়না চেয়েছিলেন যে কউর উত্তর রেলওয়ের পরিবর্তে পশ্চিম রেলওয়েজে খেলুক৷এডুলজি তাঁকে প্রতিশ্রুতি দেন যে, পশ্চিম রেলওয়েজে সে অনেক ভাল প্রস্তাবই পাবেন৷গ্রুপ সি’তে শীর্ষ পদেই চাকরি করিয়ে দেন এডুলজি৷রেলের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেই এডুলজি ব্যাপারটি স্থির করেন৷এককথায় পঞ্জাব থেকে মুম্বইতে আসার জন্যই এডুলজি এটা করতে চেয়েছিলেন৷কিন্তু রেলওয়েজের প্রেসিডেন্ট বিষয়টি খারিজ করে দেন৷এডুলডি তখন বাধ্য হয়েই মাস্টারব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকরকে চিঠি লেখেন৷এরপর ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’ নিজে চিঠি পাঠান রেলওয়েজকে৷হরমনপ্রীতের চাকরির স্থান বদল হয়ে যায়৷