কলকাতা: সচিন তেন্ডুলকরের ছোট্ট একটা পরামর্শ৷ সেটা মেনে চলাতেই ঐতিহাসিক ডে-নাইট টেস্টে ব্যাট হাতে সফল বিরাট কোহলি৷ ইডেনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথমবার গোলাপি বলে দিন-রাতের টেস্ট খেলতে নামে ভারত৷ ম্যাচে একমাত্র সেঞ্চুরি আসে ভারত অধিনায়কের ব্যাট থেকে৷ দু’দলের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩৬ রান করে করে আউট হন বিরাট৷

আরও পড়ুন: বর্ডারকে টপকে পাঁচে উঠে এলেন বিরাট

ভারতের মাটিতেই শুধু নয়, টিম ইন্ডিয়ার খেলা এটিই প্রথম গোলাপি বলে দিন-রাতের টেস্ট৷ সেদিক থেকে ভারতের হয়ে ডে-নাইট টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন কোহলি৷ ইডেনের এই শতরানে লালা অমরনাথের যুগান্তকারী ইনিংসের পাশেই জায়গা করে নিচ্ছে৷ ভারতের হয়ে লাল বলে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন অমরনাথ৷

আরও পড়ুন: ধোনিকে পিছনে ফেলে নতুন নজির কোহলির

ম্যাচের শেষে ব্যাট হাতে নিজের সফল হওয়ার কারণ জানান বিরাট৷ তিনি কৃতিত্ব দেন কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরকে৷ কোহলির কথায়, ‘গোলাপি বলে টেস্ট খেলার মানসিকতা নিয়ে সচিন তেন্ডুলকর একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন৷ সচিন গোলাপি বলে দ্বিতীয় সেশনকে সাধারণ টেস্টের প্রথম সেশন ভেবে খেলার পরামর্শ দেন৷ যখন অন্ধকার নেমে আসে এবং গোলাপি বল হঠাৎ করে স্যুইং করতে শুরু করে, তথন ডে-টেস্টের মর্নিং সেশনের মতো মানসিকতা নিয়ে ব্যাট করাই যথাযথ৷ ডে-নাইট টেস্টের প্রথম সেশনটা অনেকটা সাধারণ টেস্টের দ্বিতীয় সেশনের মতো৷ অর্থাৎ লাল বলে ডে-টেস্টের লাঞ্চ ও টি-ব্রেকের মাঝে যে যে ধরণের পরিস্থিতিতে খেলতে হয়, ডে-নাইট টেস্টের প্রথম সেশনটা ঠিক সেরকমই৷’

আরও পড়ুন: ইডেনে বিশ্বরেকর্ড টিম ইন্ডিয়ার

পরে কোহলি আরও বলেন, ‘সৌভাগ্যের বিষয় যে, আমি যখন ব্যাট করতে আসি, তখন ফ্লাডলাইট আলোয় খেলা হচ্ছিল৷ তাই আমাকে শুরুতেই আলো বদলের সময়টার সঙ্গে খুব বেশি মানিয়ে নিতে হয়নি৷ তবে সচিনের পরামর্শ মাথায় রেখে মাঠে নেমেছিলাম৷ ভবিষ্যতে এটা একটা আলাদা চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে৷ কৃত্রিম আলোয় টেস্ট খেলা আলাদা অনুভূতি৷ যখন মাঠে নামি, আইপিএলের মতো পরিবেশ ছিল৷ তবে আগাগোড়া আমাদের মাথায় ছিল যে জমাট ক্রিকেট খেলতে হবে৷’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ