মুম্বই: সচিন না লারা? ব্যাট হাতে বাইশ গজে সেরা কে, এই প্রশ্নে নানা মুনির নানা মত। একইসঙ্গে কারণ হিসেবে রয়েছে একাধিক যুক্তিও। কিন্তু নয়ের দশকের গোড়ার দিকে বাইশ গজে যখন একে অপরের প্রতিপক্ষ, তখন থেকেই অভিন্ন হৃদয় বন্ধু সচিন রমেশ তেন্ডুলকর ও ব্রায়ান চার্লস লারা। সময়ের সাথে সাথে সেই বন্ধুত্ব যেমন আরও গাঢ় হয়েছে, তেমনই হয়তো খাবার মেনুতে মাছের প্রতি ভালোবাসা বেড়েছে এই দুই কিংবদন্তির।

ঠিক সেকারণেই ৫০ তম জন্মদিনে অভিন্ন হৃদয় বন্ধু লারাকে পাত পেরে মাছ খাওয়ালেন মাস্টার-ব্লাস্টার। বিশেষ সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী হবে না তা আবার হয় নাকি। ক্যামেরাবন্দী সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন সচিন। সেইসঙ্গে বন্ধুর জন্মদিনে টুইটারে ছোটে নবাবের বিশেষ বার্তা, ‘খাবারের প্রতি ভালোবাসাই আমাদের বন্ধুত্বের ভিত, শুভ জন্মদিন ব্রায়ান লারা।’ এমনকি শুভেচ্ছাবার্তায় লারাকে ‘ফ্রেন্ডফিশ’ বলেও অভিহিত করেন সচিন। ছবিতেও দেখা যাচ্ছে দু’জনের পছন্দমতো খাবার মেনু জুড়ে বেশিরভাগটাই রয়েছে মাছের রেসিপি।

আরও পড়ুন: শততম ক্যাচে ফের রেকর্ডের নোটবুকে রায়না

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগের ধারাভাষ্যকর হিসেবে এই মুহূর্তে ভারতেই সময় কাটাচ্ছেন লারা। মঙ্গলবারই সচিনের নামে উদ্বোধন হয়ে গেল এমআইজি ক্লাব প্যাভিলিয়নের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়েও ক্রিকেটের রাজপুত্রকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান সচিন। দিনকয়েক আগে মাস্টার ব্লাস্টারের জন্মদিনে তাঁকে ‘খুব ভালো বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছিলেন লারা। একইসঙ্গে ২০০৬ বিশ্ব একাদশের হয়ে সচিনের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের একটি ভিডিও ক্লিপিংও শেয়ার করেছিলেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি।

আরও পড়ুন: পরবর্তী এমসিসি প্রেসিডেন্ট সাঙ্গাকারা

বুধবার এমআইজি ক্রিকেট ক্লাবে নিজের নামে প্যাভিলিয়ন উদ্বোধনে গিয়ে স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়েন তেন্ডুলকর। ৭-৮ বছর বয়সে স্কুল থেকে ফেরার পথে এমআইজি ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ডেই প্রথম ক্রিকেট খেলেছিলেন তিনি, জানান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি শতরানের মালিক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I