মুম্বই: শুধু মাঠে নয়, দু’জনের বন্ধু মাঠের বাইরেও৷ দীর্ঘদিন পর আবার একসুত্রে বাইশ গজের দুই বন্ধুর সচিন তেন্ডুলকর ও বিনোদ কাম্বলি৷ প্রিয় বন্ধু কাম্বলিকে এবার অভিনব চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন সচিন৷

এক সপ্তাহের মধ্যে এই চ্যালেঞ্জ পূর্ণ করতে হবে কাম্বলিকে। কিন্তু কী সেই চ্যালেঞ্জ? কঠিন হলেও প্রিয় বন্ধুর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন কাম্বলি। ২০১৭ সালে সচিন তেন্ডুলকর ক্রিকেট নিয়ে সনু নিগমের সঙ্গে একটি গান করেছিলেন। যা ছিল ‘ক্রিকেট ওয়ালি বিট’। বিশ্বকাপে প্লেয়ারদের উৎসর্গ করে এই গানটি গেয়েছিলেন ক্রিকেটঈশ্বর৷ বছর তিনেক আগের সেই ভিডিওটি কাম্বলিকে ট্যাগ করে সচিন টুইটারে লেখেন, ‘মিস্টার কাম্বলি, আমি চ্যালেঞ্জ করছি আমার এই গানের র‍্যাপ করতে এক সপ্তাহের মধ্যে।’ আর হ্যাশট্যাগ দেন ক্রিকেট ওয়ালি বিট৷

সনু নিগমের সঙ্গে তাঁর গাওয়া এই গানের মধ্যে র‍্যাপের মাধ্যমে তিনি যেসব প্লেয়ারদের নাম বলছেন তারা প্রত্যেকেই ভারতের হয়ে খেলছিলেন৷ এই ভাবেই আটের দশকে ফিরে যান সচিন৷ চ্যালেঞ্জে সচিন প্রিয় বন্ধু কাম্বলিকে বলেছেন, সেই সব প্লেয়ারদের নাম মুখস্ত করে তা র‍্যাপের আকারে বলতে৷ কাম্বলি সঙ্গে সঙ্গেই কিছুটা করে দেখালেন এবং চ্যালেঞ্জের একটা অংশও করে ফেললেন।

সচিন আরও বলেন, ‘আমি ওকে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ও যদি না-জানে কীভাবে গাইতে হবে, তাহলে ও আমার কাছে ঋণী হয়ে থাকবে।’ কাম্বলি তা শুনে বলেন, ‘বড় চ্যালেঞ্জ।’ গত ১৮ জানুয়ারি বিনোদ কাম্বলিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর সময় একটি ভিডিও টুইটে সচিন বলেন, স্কুল জীবনে কাম্বলি নাচের থেকে গানটাই ভালো গাইত।

সচিন ও কাম্বলি বন্ধুত্ব সেই স্কুল জীবন থেকে৷ ভারতীয় ক্রিকেটে প্রায় এক সঙ্গেই খেলা শুরু করলেও স্কুল থেকে ক্রিকেট কোচিং, সবই দু’জনে একই সঙ্গে করেছেন। স্কুল ক্রিকেটে সচিন-কাম্বলির সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপের রেকর্ড দীর্ঘদিন অক্ষত ছিল। ১৯৮৮-র হ্যারিস শিল্ড সেমিফাইনালে জুটিতে ৬৬৪ রান তুলেছিলেন দু’জনে। ৩২৬ রানে সচিন ও ৩৪৯ রানে কাম্বলি অপরাজিত ছিলেন। কয়েক বছর আগে অবশ্য এই রেকর্ড ভেঙে যায়৷