মুম্বই: তিনি নিজে ভারতীয় বিমান বাহিনীর সাম্মানিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন৷ স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় সেনা দিবস ক্রিকেট ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকরের কাছে বাড়তি মাত্রা পায়৷ শুধুমাত্র নিজে সাম্মানিক পদাধিকারী হিসেবেই নয়, বরং ভারতীয় জওয়ান ও তাদের পরিবারের স্বার্থত্যাগের প্রতি অকৃত্তিম শ্রদ্ধা থেকেই লিটল মাস্টার সেনা দিবসে কুর্নিশ জানালেন ইন্ডিয়ান আর্মিকে৷

আরও পড়ুন: চোট সারিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে যোগ দিচ্ছেন পৃথ্বী

সোশ্যাল মিডিয়ায় তেন্ডুলকর ভারতীয় জওয়ানদের সেনা দিবসের শুভেচ্ছা জানান৷ টুইটারে সচিন লেখেন, ‘আমাদের ইন্ডিয়ান আর্মির জওয়ান ও তাদের পরিবারকে সেনা দিবসের শুভেচ্ছা৷ তাঁদের নিঃস্বার্থ দেশসেবার জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই আমাদের জওয়ানদের৷ জয় হিন্দ৷’

আরও পড়ুন: সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ান ডে থেকে ছিটকে গেলেন পন্ত

একা সচিনই নন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনা দিবসে ভারতীয় জওয়ানদের অভিনন্দন জানিয়েছন আরও দুই ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর ও সুরেশ রায়না৷ গম্ভীর ক্যাপ্টেন আর সুব্রমণিয়ামের উক্তি তুলে ধরেছেন টুইটারে৷ তিনি লেখেন, ‘তুমি ততক্ষণ বাঁচোনি যতক্ষণ না প্রায় মরতে বসেছিলে৷ যাঁরা লড়াইয়ের পথ বেছে নেয়, তাদের জন্য জীবনের বাড়তি একটা মাত্রা থাকে, যারা নিরাপত্তাবেষ্টিত, তারা সেটা কখনই বুঝবে না৷’

আরও পড়ুন: ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে কোহলিদের উদ্দীপ্ত করলেন সৌরভ

রায়না টুইট করেন, ‘সেনা দিবসে প্রত্যেক ভারতীয় সেনা জওয়ানকে আমার শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাই৷ ওঁদের নিঃস্বার্থ সেবা ও ত্যাগের কোনও তুলনা হয় না এবং তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।