মুম্বই ভোটের ফাইল ছবি

মুম্বই:  সচিন তেন্ডুলকরের অভিষেক ম্যাচ কোনটা ছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে যে কেউ উত্তর দেবেন, ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে৷ কিন্তু মজার ব্যাপার হল নিজের অভিষেক ম্যাচের দু’বছর আগেই আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামার অভিজ্ঞতা হয়েছিল মাস্টার ব্লাস্টারের৷ ভাবছেন সেটা আবার কী করে?

আসলে মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ চলাকালীন, পরিবর্ত ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন সচিন৷ তাও আবার পাকিস্তানের হয়ে৷ নিজের আত্মজীবনীতে সচিন উল্লেখ করেছেন এই ঘটনা৷ ১৯৮৭ সালের ওই ম্যাচে দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ এবং আবদুল কাদির লাঞ্চের সময় মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে গেলে পাকিস্তানের হয়ে ফিল্ডিং করতে নামেন কিশোর সচিন৷

স্বয়ং পাক অধিনায়ক ইমরান খান সচিনকে ফিল্ডিং করতে নামতে বলেছিলেন৷ সেইসময় কপিল দেবের মারা একটি জোরালো শটে ক্যাচ উঠলে প্রায় ১৫ মিটার দৌড়েও ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন সচিন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।