মুম্বই: বুধবার পূর্ব আন্ধেরির সেভেন হিলস হাসপাতালে নয়া প্লাজমা থেরাপি ইউনিটের উদ্বোধন করলেন সচিন তেন্ডুলকর। পৃথিবী তথা দেশজুড়ে অভূতপূর্ব সংকটের সময় চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক্যাল স্টাফ, পুলিশ, সরকারি কর্মচারীরা যে নিরন্তর পরিষেবা প্রদান করে চলেছেন সেজন্য আর একবার তাঁদের কুর্নিশ জানালেন ব্যাটিং গ্রেট। সেভেন হিলস হাসপাতালে প্লাজমা থেরাপি ইউনিট চালুর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বৃহন্মুম্বই মিউনসিপ্যাল কর্পোরেশনকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

উল্লেখ্য, কোভিড১৯ আক্রান্ত মানুষ যাদের অবস্থা অতি সংকটজনক তাদের জীবনের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে প্লাজমা থেরাপি যথেষ্ট কার্যকরী হিসেবে পরিগণিত হয়েছে গোটা বিশ্বে। করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হওয়া মানুষের শরীর থেকে রক্তরস সংগ্রহ করে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে এই থেরাপি। করোনামুক্ত মানুষের শরীরে রক্তে উপস্থিত অ্যান্টিবডি কোভিড১৯’র প্যাথোজেনকে উল্লেখযোগ্যভাবে হারাতে সক্ষম হচ্ছে। আন্ধেরির হাসপাতালে প্লাজমা থেরাপি ইউনিট উদ্বোধন করে তেন্ডুলকর জানান, ‘কোভিড১৯ অতিমারির কারণে আমাদের স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা এক অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। আমাদের চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক্যাল স্টাফ, পুলিশ, মিউনসিপ্যালিটি এবং সরকারি কর্মচারিরা ভাইরাস আক্রান্ত মানুষের জীবন রক্ষার্থে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন।

ভ্যাকসিন এবং যথাযথ চিকিৎসার খোঁজে রিসার্চ চলছে। সংকটজনক রোগীদের ক্ষেত্রে প্লাজমা থেরাপি এক গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে উঠে এসেছে। এমন পরিষেবা চালু করার জন্য আমি বিএমসি’কে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’ একইসঙ্গে করোনামুক্ত মানুষদের কাছে তিনি প্লাজমা থেরাপির জন্য প্রয়োজনীয় রক্তদানের আর্জি জানিয়েছেন মুম্বইকার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একশো শতরানের মালিক বলেন, ‘আমি সম্পূর্ণভাবে যারা করোনামুক্ত তাদের কাছে আবেদন করছি তারা যেন সংকটজনক রোগীদের কথা ভেবে রক্তদানে এগিয়ে আসে।’

দেশের মধ্যে আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। এখনও অবধি পশ্চিমের রাজ্যটিতে কোভিড১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ। দেশে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২১ হাজারেরও বেশি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ