মুম্বই: করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অ্যাথলিটরা বাধ্যতামূলক বিরতিতে৷ মাঠে ফেরার অনিশ্চয়তায় চিন্তিত অ্যাথলিটরা৷ তবে তাঁদের পরামর্শ দিলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর৷

সচিন চিন্তিত অ্যাথলিটদের স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা খুঁজতে বললেন৷ যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ আট বছর টেস্ট ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন৷ তবুও তাঁর পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়তে দেননি। এমনকি এত দীর্ঘ সময়ও ব্র্যাডম্যানের ব্যাটিং শৈলিতে মরচে পরেনি৷ এই কারণ তিনি তাঁর কেরিয়ারের ৫২টি টেস্টে ৯৯.৯৪ গড়ে শেষ করেছিলেন৷ যা বিশ্ব ক্রিকেটে আর কারোর নেই৷

স্যর ডন ব্র্যাডম্যানের ১১২ তম জন্মদিনে টুইটারে কিংবদন্তি এই ব্যাটসম্যানকে স্মরণ করে সচিন লেখেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে স্যার ডন ব্র্যাডম্যান বেশ কয়েক বছর ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন৷ তবুও সর্বোচ্চ টেস্টের ব্যাটিং গড় রয়েছে তাঁরই৷ আজ, অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘ বিরতির কারণে ক্রীড়াবিদদের ফর্ম নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও ব্র্যাডম্যানের কেরিয়ার তাদের অনুপ্রেরণার উত্স হতে পারে৷ হ্যাপি বার্থ ডে স্যর ডন৷’

করোনা মহামারীর কারণে সারা বিশ্বে প্রায় ছ’ মাস ক্রিকেট বন্ধ ছিল৷ জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরলেও ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা মার্চের পর থেকে এখনও কোনও ম্যাচ খেলেননি৷ ফলে ছ’মাসের বিরতির পর সরাসরি আইপিএলে মাঠে নামবে৷ এই প্রসঙ্গে সচিনকে জিজ্ঞেস করা হলেন তিনি ভারতে ৯০-এর দশকে ক্রিকেটের কথা উল্লেখ করেন৷ যখন কোনও ক্রিকেটের মরশুম ছিল না৷

সচিন বলেন, ‘যদি আমার ভুল না হয় তবে ৯০ এর দশকে অর্থাৎ ১৯৯৪ সালের মার্চ থেকে ১৯৯৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১৮ মাসে আমরা খুব কম টেস্ট ম্যাচ খেলতাম৷’ তিনি আরও বলেন, ‘নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই পর্যায়ে তিন থেকে চার মাসের ছুটি পাওয়া একটি সাধারণ বিষয় ছিল৷ আমরা যখন গ্রীষ্মের শ্রীলঙ্কায় যেতাম, বৃষ্টিতে প্রচুর ম্যাচগুলি ধুয়ে যেত। ভারতে তখন কোনও ক্রিকেট ছিল না এবং এটি ছিল একটি স্বাভাবিক৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.