ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: প্রথমবার টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল। বিরাট কোহলি থেকে অনুষ্কা শর্মা, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ থেকে ভিভিএস লক্ষ্মণ। ইতিমধ্যেই হরমনপ্রীতদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকেই। তবে ফাইনালে পৌঁছনোর পর ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি কিছু টিপস দিলেন কিংবদন্তি সচিন রমেশ তেন্ডুলকর। যা চারবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথমবার ফাইনালে নামার আগে নিশ্চিতভাবে উদ্বুদ্ধ করবে ভারতের মেয়েদের।

‘মুহূর্তে বাঁচো এবং মাঠে নেমে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলো।’ মহারণের আগে হরমনপ্রীত ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে এমনই বার্তা দিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। ‘ড্রিমস অফ অ্যা বিলিয়ন- ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য অলিম্পিক গেমস’ বোরিয়া মজুমদার ও নলিন মেহতার লেখা নতুন বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসে সচিন হরমনপ্রীতদের বলেন, ‘তোমরা ট্রফি হাতে দেশে ফিরলে দারুণ লাগবে।’ এদিনের বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে সচিন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অলিম্পিকের একক ইভেন্টে ভারতের প্রথম সোনাজয়ী অ্যাথলিট অভিনব বিন্দ্রা এবং একাধিক গ্র্যান্ড স্ল্যাম বিজেতা মহেশ ভূপতি।

অনুষ্ঠান মঞ্চে ভারতীয় মহিলা দলের উদ্দেশ্যে সচিন বলেন, ‘মাঠে নেমে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দাও। এটাই ওদের প্রতি আমার বার্তা। জানি মাঠে নেমে কাজটা করার থেকে মুখে বলাটা অনেক সহজ। তবু বলব চাপ নিও না। আমি ওদের এটুকুই বলতে চাই যে একসঙ্গে থাকো। বাইরের জগতের সঙ্গে তোমাদের সময় কাটানোটা অত্যন্ত দরকার। তোমরা যদি একে অপরের সাহচর্যে থাকো এবং ইতিবাচক বিষয় নিয়ে আলচনা করো তাহলে বিষয়টা অনেক সহজ হবে। আমি ওদের পারফরম্যান্স নিয়মিত দেখছি। অনেক তরুণ ক্রিকেটারদের ওরা উদ্বুদ্ধ করেছে।’

উল্লেখ্য, সিডনিতে বৃহস্পতিবার প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও ইংল্যান্ড। কিন্তু বৃষ্টির জন্য ম্যাচের টস পর্যন্ত হয়নি। বারবার ওভার কমিয়ে ম্যাচ শুরু করার চেষ্টা করেও তা বাস্তাবায়িত করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টিতে ভেস্তে যায় ভারত-ইংল্যান্ড প্রথম সেমিফাইনাল। কিন্তু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে ফাইনালের ছাড়পত্র পায় ভারত। টুর্নামেন্টের নিয়মানুসারে গ্রুপের টপ টিম হিসেবে ফাইনালের ছাড়পত্র পান হরমনপ্রীত-মন্ধনারা। এই প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছল ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।