মুম্বই: করোনা মোকাবিলায় কলকাতা শহরে একের পর এক মানবিকতার অনন্য উদাহরণ রাখছেন বাইশ গজে একসময়ের তাঁর ওপেনিং পার্টনার। তিনিও পিছিয়ে ছিলেন না যদিও। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর করোনা আপদকালীন ফান্ড মিলিয়ে ইতিমধ্যেই দান করেছেন ৫০ লক্ষ টাকা। তবে সেখানেই থেমে থাকতে রাজি ছিলেন না সচিন রমেশ তেন্ডুলকর। প্রয়োজনে ফের এগিয়ে আসার বার্তা দিয়েছিলেন।

সেইমতোই কথা রাখলেন ভারতীয় ক্রিকেটের মহীরুহ। মুম্বইয়ের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে আগামী একমাসের জন্য ৫ হাজার মানুষের রেশনের ব্যবস্থা করে দিলেন মাস্টার-ব্লাস্টার। ‘আপনালয়’ নামক ওই সংগঠন মাইক্রোব্লগিং সাইটে সচিনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার একটি টুইট করে। যে টুইটে তারা লেখে, ‘সচিন রমেশ তেন্ডুলকরকে অনেক ধন্যবাদ এমন লকডাউন পিরিয়ডে এগিয়ে আসার জন্য এবং আপনালয়কে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। আগামী একমাসের জন্য ৫০০০ মানুষের রেশনের দায়িত্ব নিলেন উনি।’

একইসঙ্গে অন্যান্য সহৃদয় ব্যক্তিদের কাছে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানায় সংগঠনটি। আপনালয়ের সেই টুইটের প্রত্যুত্তরে অনতিপরেই আরেকটি টুইট করেন সচিন। সেখানে তিনি আপনালয়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে আগামিদিনে আরও ভালো কাজের অনুপ্রেরণা দেন। সচিন লেখেন, ‘প্রয়োজনীয় মানুষের সাহায্যে এভাবেই তোমাদের ভালো কাজ বজায় রেখো।’

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে করোনা মোকাবিলায় ৫০ লক্ষ টাকা দান করেছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি শতরানের মালিক। রাজ্য এবং দেশের করোনা তহবিলে সমান অঙ্কের অর্থ অনুদানে এগিয়ে এসেছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি সেঞ্চুরির মালিক। দু’টি ক্ষেত্রে ২৫ লক্ষ টাকা করে অর্থসাহায্য করেছিলেন সচিন। তবে প্রাথমিকভাবে অনুদানের ক্ষেত্রে সচিন তাঁর পরিচয় গোপন রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন বলে সূত্রের খবর।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।