জয়পুর: মান-অভিমানের পালা মিটেছে। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরেছে। মরুরাজ্যে ফএর খুশির হাওয়া কংগ্রেসে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বাড়িতে দলের বৈঠকে যোগ দেন কংগ্রেস নেতা সচিন পাইলট। একটনা বেশ কিছুদিনের অভিমান ভুলে গেহলট-পাইলটকে এদিন করমর্দন করতেও দেখা গেল। রাজস্থানে কংগ্রেসের পালে হাওয়া ফিরতেই খানিকটা ব্যাকফুটে গেরুয়া শিবির।

রাজস্থানে ফের চালকের আসনে কংগ্রেস। রাহুল-প্রিয়াঙ্কার হস্তক্ষেপে মান ভেঙেছে সচিনের। ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিয়েছেন কংগ্রেসের এই তরুণ নেতা। সচিনের মান ভাঙায় খুশি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলটও।

এদিন তাঁর বাড়িতে যেতেই সচিনকে স্বাগত জানিয়েছেন গেহলট নিজেই। দু’তরফেই বরফ গলার ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট। শুক্রবার থেকে বিধানসভার অধিবেশন শুরু হচ্ছে রাজস্থানে। তার আগে দলগত কৌশল ঠিক করতে বৃহস্পতিবার বাড়িতে বৈঠক ডেকেছিলেন গেহলট।

দিন দু’য়েক আগেই ঘরওয়াপসি হয়েছে সচিন পাইলটের। মরুরাজ্যে ফের নতুন করে ঘর গোছাতে শুরু করেছে কংগ্রেস। শুক্রবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে গেহলট সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে চলেছে বিজেপি। জুলাইয়ে দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন সচিন পাইলট ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ১৮ কংগ্রেস বিধায়ক। দলের বিধায়কদের এই বিদ্রোহের জেরে সংকটে পড়ে গেহলট সরকার।

গেহলট সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেখাতে হবে বলে দাবি করে বিজেপি। সেই মতো সচিন দলে ফেরার আগেই ঘর গুছিয়ে নিয়েছিলেন বর্ষীয়ান গেহলট। তবে তাতেও ধন্দ একটা ছিলই। শেষমেশ অধিবেশনে কতজন গেহলটের পক্ষে সমর্থন দেবেন তা নিয়ে চর্চা ছিল তুঙ্গে।

তবে এখন আর সেই পরিস্থিতির সম্ভাবনা নেই। সচিন ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বিধায়করা ফের কংগ্রেসে সক্রিয় হয়েছেন। বিজেপিই রাজস্থানে সরকার ফেলার চক্রান্ত করেছিল বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। গেহলট এদিন গেরুয়া শিবিরকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘বিজেপির সব ষড়যন্ত্র ভেস্তে গিয়েছে।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও