ফাইল ছবি

জয়পুর: জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পর এবার কি বিজেপিতে সচিন পাইলট? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজস্থানের বিজেপি নেতা গজেন্দ্র শেখাওয়াতের ইঙ্গিত এমনই। সচিন পাইলট বিজেপিতে যোগ দিলে এই মুহূর্তে কংগ্রেসের কাছে তা ফের একটা বড় ধাক্কা হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আবারও কংগ্রেসের ঘর ফাঁকা হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এবার গেরুয়া শিবিরের টার্গেট রাজস্থানের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলট। খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজস্থানের বিজেপি নেতা গজেন্দ্র শেখাওয়াতের মন্তব্যে বাড়ল সেই জল্পনা।

সচিন পাইলটের বিজেপি যোগের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি জানান,জ্যোতিরাদিত্য ও সচিন ভালো বন্ধু। দু’জনেই সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। রাজনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও এই দু’জনের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। ওঁদের ব্যক্তিগত যোগাযোগও থাকে নিয়মিত। তাই সচিনও এবার বন্ধুর পথে হাঁটতে শুরু করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

মধ্যপ্রদেশের মতো একই ছবি রাজস্থানেও। মধ্যপ্রদেশেও যেমন বয়সে প্রবীণ কমলনাথকে রাজ্য চালানোর ভার দেন সনিয়া-রাহুলরা। ঠিক তেমনি অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা হলেও সচিন পাইলটকে ডেপুটি রেখে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী করা হয় বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলটকে।

রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, রাজস্থানে বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়ার বিজেপি সরকারকে উৎখাত করতে দলের তরুণ তুর্কি সচিন পাইলটের উপরেই ভরসা রেখেছিল কংগ্রেস। নিরাশ করেননি সচিন। বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করে জয়পুরের মসনদ দখলে এনেছে কংগ্রেস।

সচিনকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করে গেহলটকে মুখ্যমন্ত্রী করায় সচিন-অনুগামীরা প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। তবে কিছুদিনের মধ্যেই অবশ্য দলের একাংশের সেই অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় কংগ্রেস। কিন্তু রাজস্থানের রাজনীতিতে এখনও কান পাতলেই সচিন-গেহলট মতানৈক্যের খবর শোনা যায়। যদিও এবিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও পক্ষই কিছু জানাতে রাজি হননি।

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সচিন পাইলটকে নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, বিজেপি নেতারা নাকি তলে-তলে সচিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এবার খোদ রাজস্থানের বিজেপি নেতার ইঙ্গিতে ফের সচিনের বিজেপি-যোগ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।