স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সৌজন্যতার প্রশ্নে একযাত্রায় পৃথক ফল কেন? সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য এমনই প্রশ্ন বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তর৷ তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীকে পাঞ্জাবি পাঠানো যদি দোষের না হয় তাহলে মুকুল রায়কে বাড়িতে ডেকে আপ্যায়ন করাটা দোষের কেন হবে?

রবিবার সকালে তৃণমূলে সব্যসাচী দত্তর ডানা ছাঁটার পরই রাতেই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপির স্ট্র্যাটেজিস্ট নেতা মুকুল রায়৷ বিধাননগরে সুইমিং পুল অ্যাসোসিয়েশনের ক্লাবে দুজনে কিছুক্ষণ বৈঠক করেন৷ সেখানে দু-একজন আইনজীবী ছিল বলেও সব্যসাচী জানান৷ পরে খোশ মেজাজে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করতে দেখা যায় মুকুল-সব্যসাচীকে৷ পরে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকও করেন তাঁরা৷

মুকুলের আসার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সব্যসাচী বলেন, “উনি ভেবেছিলেন আমি কোনও সমস্যায় পড়েছি তাই এসেছিলেন৷ তাছাড়া এটা আমাদের ক্লাব, যে কেউ ক্লাবে আসতে পারেন৷ উনিও ক্লাবের অতিথি হয়ে এসেছেন৷

সব্যসাচী আরও বলেন, মুকুল দা যদি আমার বাড়িতে যান তাহলেও আমি তাঁকে আপ্যায়ন করব৷ এটাই তো আমাদের বাঙালিদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য৷ আমাদের মুখ্যমন্ত্রীও তো প্রধানমন্ত্রীকে পুজোয় পাঞ্জাবি, মিষ্টি পাঠিয়ে সৌজন্য দেখান৷”

সংবাদমাধ্যমের সামনে সব্যসাচীর মুখ খোলার আগে মুকুল রায়ই প্রথম মুখ খোলেন৷জানান, বড় দাদার মতো সব্যসাচীকে পরামর্শ দিতে তিনি এসেছিলেন৷ পরে একই সুর শোনা গেল সব্যসাচীর গলায়৷

এদিকে সূত্রের খবর, সব্যসাচীকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত তৃণমূলে একপ্রকার পাকা হয়ে গিয়েছে৷ রবিবার সকালেই বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন৷ যদিও বিষয়টি সযত্নে এড়িয়ে গিয়েছেন সব্যসাচী৷ এব্যাপারে তাঁর বক্তব্য, “দলের তরফ থেকে এখনও কোনও বার্তা আমার কাছে আসেনি৷”