স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমান বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্তের নিরাপত্তা বাড়ানো হল৷ ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ আজ বুধবার থেকে তার নিরাপত্তায় থাকছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী৷

উল্লেখ্য, পুজোর আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত৷ তারপর রাজ্য সরকারের দেওয়া নিরাপত্তা তুলে নেয় সরকার৷ তা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷ একদিনের নোটিশে তুলে নেওয়া হয় তার নিরাপত্তায় থাকা রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তারক্ষীদের৷

পুজোর মুখে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট একটি চিঠি দিয়ে সব্যসাচী দত্তকে জানান হয় ,পুজোর জন্য বাড়তি ফোর্স দরকার, তাই তার নিরাপত্তায় থাকা রাজ্য সরকারের নিরাপত্তারক্ষীদের তুলে নেওয়া হচ্ছে৷ সেই চিঠির উত্তরও দিয়েছিলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া সব্যসাচী দত্ত৷ তার অভিযোগ, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট তার উত্তর তো দেয়নি৷ এমনকি পুজো শেষ হয়ে গেলেও ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি রাজ্য সরকারের নিরাপত্তারক্ষীদের৷

এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্তের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে৷ তাকে দেওয়া হয়েছে ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তা৷ সূত্রের খবর,সব্যসাচীর নিরাপত্তায় থাকছে ১২-১৩ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ আজ বুধবার থেকেই এই নিরাপত্তা পাচ্ছেন তিনি৷

সব্যসাচী দত্ত জানান, গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের সিআইএসএফ, রাজ্য সরকারের এসবি থেকে এসেছিলেন৷ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে একটি চিঠি দিয়ে জানান হয়, আমার নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে৷ তবে কেন এই ব্যবস্থা তা জানি না৷

পুজোর মুখে নেতাজি ইন্ডোরে অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা রাজারহাট-নিউ টাউনের বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত৷ সেদিন বিজেপিতে নাম লিখিয়েই তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন৷ এনআরসি ইস্যুতে জোড়াল সওয়াল করেন সব্যসাচী। বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের কোনও জায়গা নেই। বাংলাকে পাকিস্তান বানানোর চক্রান্ত চলছে। বাংলা যেন পাকিস্তান না হয়ে যায়। তাই বাংলায় এনআরসি হউক

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.