জৈন সম্প্রদায়ের অন্তর্গত মানুষের কাছে মহাবীর জয়ন্তী বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। মহাবীরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মহা ধুমধামের সঙ্গে সমগ্র দেশ জুড়ে পালিত হয় এই দিনটি। কিন্তু ২০২০ সালের মতোই ২০২১ সালেও মহামারীর দাপটে এবার অনেক জায়গাতেই সেই উৎসবে পড়েছে ছেদ। ফলে জৈন ধর্মাবলম্বীরা ভক্তি ভরে বাড়িতেই পালন করবেন এই দিনটি। সেই সঙ্গে ভুরিভোজের ব্যবস্থাও থাকে অনেক বাড়িতেই। নিরামিষ ভক্ষণে এই দিনটিকে পালন করেন তারা।

এবার গরমের সময় ২৫ শে এপ্রিল পড়েছে এই দিনটি। দিনটি রবিবার হওয়ায় অনেকের কাছেই ছুটির আমেজ। এই আমেজে বাড়ির সদস্যদের বা পরিজনদের জন্যে মিষ্টি মুখের ব্যবস্থা করতে নজর কেড়ে নিক উপোসের পর পেট ঠান্ডা রাখার একটি রেসিপি। মনে করে বলুন তো গরমকালে সাবু দানার ক্ষীর খেয়েছেন আগে? আর এর মজার কথা হলো খুব সহজ আমের লস্যি বানানো ও খুব কম সময়েই তা বানানো সম্ভব যদি কাছে থাকে এই উপকরণগুলি।

যে কোনো ধরণের উপোসের পরেই এটি খেলে পেট রাখবে ঠান্ডা। সহজেই হজম করা যায় এটি।.এর ফলে গ্যাস বা অম্বলের সমস্যাও হবে না।. এই পদটি জৈনদের জন্যে আদর্শ একটি পদ এই দিনের জন্যে।

উপকরণ: ২৫ গ্রাম ভেজানো সাবু দানা, ১ চা চামচ ঘি, ৩০০ মিলি লিটার দুধ, ২.৫ টেবিল চামচ চিনি, ১ টি চেরি, ১ টি এলাচ, ১ টি তেজপাতা, ১ টেবিল চামচ কাজুর টুকরো, ১ চিমটি জাফরান ও ১/২ টেবিল চামচ পেস্তা কুচি।

কীভাবে বানাবেন: প্রথমেই ভেজানো সাবু দানা একটা ছাকনিতে ছেকে রেখে দেবেন। ৫ মিনিটের বেশি ভেজাবেন না। প্যান গ্যাস এ বসিয়ে গরম হলে তাতে ঘি দিয়ে কাজু কুচি গুলো অল্প ভেজে নেবেন। কাজু সরিয়ে ওই প্যানে সাবু দানা দিয়ে ২-৩ মিনিট একটু নেড়ে নামিয়ে নিন। একটি পাত্রে দুধ ঢেলে তা গ্যাসে বসিয়ে গরম হলে তাতে জাফরান, থেঁতো করে নেওয়া এলাচ, তেজপাতা দিয়ে একটু গরম করে নিতে হবে। চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে এবার নাড়তে হবে। একটু ঘন হলে সাবু দানা গুলো দিয়ে দিন তাতে। ঘন হলে ভেজে রাখা কাজু ও পেস্তা কুচি কিছু পরিমাণে ছড়িয়ে দেবেন। এবার একটা পাত্রে ঢেলে ভেজে রাখা কাজু কুচি ও পেস্তা কুচি ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.