আমেদাবাদ: গান্ধীজীর ভাবাদর্শকে আরও গভীরভাবে জানতে এবার সাড়ে আট হাজারেরও বেশি চিঠি প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নিল আমেদাবাদের সবরমতি আশ্রম৷ এই চিঠিগুলির মধ্যে দিয়ে ফুটে উঠছে সমকালীন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী বিনিময়ের দিকটি৷ উল্লেখ্য, সমকালীন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা এই চিঠিগুলি পাঠিয়েছিলেন গান্ধীজিকে৷

‘কালেকটিভ ওয়ার্কস অফ মহত্মা গান্ধী’র  (সিডব্লিউএমজি) হাতে গান্ধীজীর লেখা প্রায় ৩১ হাজার চিঠি রয়েছে৷ যা সারা জীবন ধরে লিখেছিলেন তিনি৷ কিন্তু তাঁর লেখা চিঠির জবাবে যে চিঠিগুলি পাঠানো হয়েছিল, তা এখনও নথিভুক্ত হয়নি৷ সবরমতি আশ্রম প্রিজার্ভেশন অ্যান্ড মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ডিরেক্টর ত্রিদীপ শারুদ বলেন, ‘‘এই চিঠিগুলির প্রতিলিপি তৈরি করে তা প্রকাশ করার কথা দীর্ঘদিন ধরেই বলছিলেন গবেষক এবং বিশেষজ্ঞরা৷ রোমাইন রোল্যান্ড, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জওহরলাল নেহরু, সরোজিনী নাইডু, মীরাবেনকে লেখা চিঠি ও তাঁদের পাঠানো উত্তর প্রকাশ্যে আসার পর আরও সমৃদ্ধ হবে ইতিহাস৷’’ 

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।